Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Mukesh Ambani

করোনার ধাক্কা সামলেও দেশের ধনীতম মুকেশ আম্বানি, দ্বিতীয় স্থানে আদানি

প্রকাশিত হল ফোর্বসের নতুন তালিকা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৭, ২০২১, ১৯:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৭, ২০২১, ১৯:১৬

options
link
করোনার ধাক্কা সামলেও  দেশের ধনীতম মুকেশ আম্বানি, দ্বিতীয় স্থানে আদানি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশের ধনীতম ব্যক্তির শিরোপা ধরে রাখলেন রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি (Mukesh Ambani)। ফোর্বস (Forbes) প্রকাশিত দেশের শীর্ষস্থানীয় ১০ জন ধনকুবেরদের নয়া তালিকায় যথারীতি এক নম্বরে রয়েছেন মুকেশই। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানি (Gautam Adani)। তৃতীয় স্থানে এইচসিএল প্রতিষ্ঠাতা শিব নাদার। গত বছরের মার্চ থেকে করোনা অতিমারীর ধাক্কায় কার্যত মুখ থুবড়ে পড়েছে দেশের অর্থনীতি। কিন্তু তা সত্ত্বেও শেয়ার বাজারে তেমন অবনতি না হওয়ায় দেশের সেরা শিল্পপতিদের সম্পত্তি বৃদ্ধি পেয়েছে।

তালিকা থেকে জানা গিয়েছে, আম্বানির সম্পত্তির পরিমাণ ৮৪.৫ বিলিয়ন ডলার যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৬ লক্ষ ২৫ হাজার কোটি টাকা। প্রসঙ্গত, কেবল দেশেরই নয়, এশিয়ারও ধনীতম ব্যক্তি আম্বানি। দেশের রপ্তানির ৮ শতাংশই হয় তাঁর সংস্থা রিলায়েন্সের মাধ্যমে। তারাই দেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানিকারী। শুল্ক এবং আবগারি শুল্ক থেকে ভারতের মোট আয়ের ৫ শতাংশই রিলায়েন্স দেয়।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘নারায়ণী ব্যাটেলিয়ান নিয়ে মোদি মিথ্যা বলছেন’, আরটিআই তথ্য তুলে তীব্র আক্রমণ মমতার]

তবে গত বছরের আগস্টে পড়তে শুরু করেছিল রিলায়েন্সের শেয়ার। মার্কিন ই-কমার্স জায়ান্ট আমাজনের সঙ্গে রিলায়েন্সের ব্যবসায়িক সংঘাতেই এই অবনমন। তবে সেই পরিস্থিতি সামলে উঠে ফের নিজের হারানো জায়গা ফিরে পেয়েছেন তিনি। এদিকে আদানির সম্পত্তির পরিমাণ ৫০.৫ বিলিয়ন ডলার। যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৩ লক্ষ ৭৩ হাজার কোটি টাকা।

করোনাকালে কেবল শীর্ষস্থানীয় ধনকুবেরদের সম্পত্তির পরিমাণই বাড়েনি। সেই সঙ্গে অনেকটাই বেড়েছে ধনকুবেরদের সংখ্যাও। গত বছর যেখানে সংখ্যাটা ছিল ১০২, সেখানে এবারে তা বেড়ে হয়ে দাঁড়িয়েছে ১৪০।
তালিকার প্রথম দশজনের মধ্যে দু’জন শিল্পপতি রয়েছেন, যাঁরা করোনাকালে স্বাস্থ্যক্ষেত্রের চাহিদা বাড়ার দিকটি লক্ষ করে সেদিকে ঝুঁকেছেন। আর তার ফলে বেড়েছে তাঁদের ব্যবসার পরিমাণও। এই দু’জন হলেন সিরাম ইনস্টিটিউটের সাইরাস পুনেওয়ালা ও সান ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের দিলীপ সাংহাভি।

[আরও পড়ুন: ভ্যাকসিন নিলেই মিলবে সোনার গয়না! টিকাকরণে উৎসাহ বাড়াতে অভিনব উদ্যোগ গুজরাটে]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.