Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
বারাণসী

মাথায় ফেজ মুখে রামনাম, হিন্দু যুবতীকে দাহ করলেন মুসলিমরা

যোগীরাজ্যে তৈরি হল সম্প্রীতির নতুন নজির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০১৯, ১৮:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০১৯, ১৮:২৮

options
link
মাথায় ফেজ মুখে রামনাম, হিন্দু যুবতীকে দাহ করলেন মুসলিমরা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশের বিভিন্ন প্রান্তে রামের নামে মানুষ পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠছে। কোথাও কোথাও বা জোর করে  বলানো হচ্ছে হনুমানের নাম। কিন্তু একেবারে ব্যতিক্রমী ঘটনার সাক্ষী উত্তরপ্রদেশের বারাণসী৷ স্বেচ্ছায় রামের নামে স্লোগান দিতে মৃত এক হিন্দু যুবতীকে শ্মশানে নিয়ে গেলেন মুসলমান যুবক। এমনকী শ্মশানে গিয়ে তাঁর শেষকৃত্যে হাতও লাগালেন তিনি।  

[আরও পড়ুন: ফেসবুক লাইভে বাঙালি যুবকের আত্মহত্যা, দিল্লির বহুতল থেকে উদ্ধার দেহ]

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কিছুদিন ধরেই ম্যালেরিয়ায় ভুগছিলেন বারাণসীর হারুয়াদিহি এলাকার বাসিন্দা সোনি (১৯)। রবিবার তাঁর মৃত্যু হয়। এরপরই চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েন তাঁর বাবা-মা। মেয়ের শেষকৃত্য কীভাবে হবে সেই ভাবনাচিন্তা করতে থাকেন তাঁরা। কারণ সোনির বাবা হরিলাল বিশ্বকর্মা গত কয়েক বছর ধরে পক্ষাঘাতের কারণে শয্যাশায়ী হয়ে পড়েছেন। তাঁর মায়ের হৃদযন্ত্রে সমস্যা রয়েছে৷ বাড়িতে একমাত্র সুস্থ তাঁর ভাই। তাই তাঁদের পক্ষে একা একা মেয়ের শেষকৃত্য করা সম্ভব ছিলেন না। বিষয়টি জানতে পেরে তাঁদের বাড়িতে যান প্রতিবেশী মুসলিম বাসিন্দারা। নিজেদের দুরবস্থার কথা তাঁদের খুলে বলেন সোনির বাবা ও মা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সব কথা শুনে তাঁদের আশ্বস্ত করেন ওই প্রতিবেশীরা। জানান, মেয়ের শেষকৃত্য নিয়ে কোনও চিন্তা করতে হবে না তাঁদের। যা ব্যবস্থা করার তাঁরাই করবেন। এরপর ইদের জন্য কেনা ফেজ টুপি মাথায় দিয়েই হিন্দু যুবতীর শেষকৃত্যর প্রস্তুতি শুরু করেন ওই প্রতিবেশীরা। আর সবকিছু গোছানো হয়ে গেলে সোনির মৃতদেহ কাঁধে নিয়ে ‘রাম নাম সত্য হ্যায়’ বলতে বলতে বেরিয়ে পড়েন বারাণসীর মণিকর্ণিকা ঘাটের উদ্দেশে। সেখানে পৌঁছে সোনির ভাইয়ের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে শেষ করেন সব কাজ। সাহায্য করেন আর্থিকভাবেও।

[আরও পড়ুন: ছাগলের গায়ে লেখা ‘আল্লা’র নাম! ইদের দিন বিক্রি হল ৮ লাখ টাকায়]

এপ্রসঙ্গে ওই দলে থাকা শাকিল নামে এক যুবক বলেন, ‘‘বিষয়টি সত্যি। সবাই মিলে একসঙ্গে থাকাটাই জীবনের আসল সত্য। কিন্তু, এটা না বুঝেই সামান্য বিষয় নিয়ে নিজেদের মধ্যে লড়াই করি আমরা।’’ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যে দেশের ঐতিহ্য, সে দেশে এটাই যেন আসল ছবি৷  

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.