সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্বনির্ভর গোষ্ঠীর (Self Help Group) মহিলাদের হাতে ১৫ হাজার ড্রোন তুলে দেবে কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার ভারচুয়াল কনফারেন্সের মাধ্যমে এই ড্রোন বিতরণের সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। জানা গিয়েছে, দেশের নানা প্রান্ত থেকে ১৫ হাজার স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে বেছে নেওয়া হয়েছে। আগামী তিন বছরের মধ্যেই তাঁদের হাতে পৌঁছে যাবে ড্রোনগুলো। ৩০ নভেম্বর ভারচুয়ালি ‘প্রধানমন্ত্রী মহিলা কিষাণ ড্রোন কেন্দ্র’গুলোও উদ্বোধন করবেন মোদি। সেখান থেকেই ড্রোন তুলে দেওয়া হবে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর হাতে।
চলতি বছরে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানেই প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন, মহিলাদের নেতৃত্বেই দেশের উন্নতি করতে হবে। সেই পরিকল্পনার মধ্যেই মহিলাদের স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে ড্রোন (Drone) দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেছিলেন মোদি। তিনি জানান, যাবতীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের। তার পরেই তাঁদের হাতে ড্রোন তুলে দেওয়া হবে। মঙ্গলবার বৈঠকে মোদির এই ঘোষণায় সম্মতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।
[আরও পড়ুন: লাফিয়ে বেড়েছে সম্পত্তি, ফের বিশ্বের সেরা কুড়ি ধনকুবেরদের তালিকায় গৌতম আদানি]
জানা গিয়েছে, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষ থেকেই স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে ড্রোন দেওয়া শুরু হবে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের মধ্যেই ১৫ হাজার গোষ্ঠীর হাতে পৌঁছে যাবে ড্রোনগুলো। কী কাজে লাগবে এই ড্রোনগুলো? কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর জানিয়েছেন, কৃষিক্ষেত্রে নানা সরঞ্জাম পৌঁছে দেওয়া যাবে এই ড্রোনের মাধ্যমে। চাষের কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম পাঠানো ছাড়াও অন্যান্য কাজে এই ড্রোন ব্যবহার করতে পারে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলো।
৩০ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার থেকেই শুরু হবে ড্রোন বিতরণের প্রক্রিয়া। সকাল এগারোটা নাগাদ ভারচুয়াল মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী মহিলা কিষাণ ড্রোন কেন্দ্র উদ্বোধন করবেন মোদি। সেখান থেকেই আগামী তিন বছরে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর হাতে তুলে দেওয়া হবে ড্রোন।
[আরও পড়ুন: ট্রেনের খাবার খেয়ে অসুস্থ ‘ভারত গৌরবে’র ৪০ যাত্রী, বিপাকে পড়ে তদন্তের নির্দেশ রেলের]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন