Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Nirmala Sitharaman

রেশন দোকানে কেন নেই মোদির ছবি? প্রকাশ্যে তেলেঙ্গানার জেলাশাসককে ধমক নির্মলার

কী করে একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এমন আচরণ করতে পারেন, প্রশ্ন বিরোধীদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩, ২০২২, ২০:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩, ২০২২, ২০:০৭

options
link
রেশন দোকানে কেন নেই মোদির ছবি? প্রকাশ্যে তেলেঙ্গানার জেলাশাসককে ধমক নির্মলার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রেগে গেলেন নির্মলা সীতারমণ (Nirmala Sitharaman)। রেশন দোকানে কেন নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ছবি নেই, সেই প্রশ্ন তুলে এক তেলেঙ্গানার (Telangana) কামারেড্ডি জেলার শাসককে ধমক দিতে দেখা গেল অর্থমন্ত্রীকে। তিনি জিতেশ পাটিল নামের ওই জেলাশাসককে এর কারণ ব্যাখ্যা করতে বলেন। উত্তর না পেয়ে তিনি ওই জেলাশাসকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন বলে জানা গিয়েছে।

শুক্রবার রাজ্যের জাহিরাবাদ লোকসভা কেন্দ্রে বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন নির্মলা। বিজেপির ‘লোকসভা প্রবাস যোজনা’র অংশ একটি রেশন দোকানে কার্যত ‘সারপ্রাইজ ভিজিট’ করেন অর্থমন্ত্রী। সেই সময়ই নির্মলা পাটিলের কাছে জানতে চান, ৩৫ টাকা কেজির চালকে ১ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এতে রাজ্য সরকারের ভূমিকা কোথায়? প্রশ্নের উত্তর দিতে তাঁকে আধ ঘণ্টা সময় দেন অর্থমন্ত্রী।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: বিরোধী জোটের সলতে পাকাতে আগামী সপ্তাহেই দিল্লি সফরে নীতীশ! বৈঠক সোনিয়ার সঙ্গেও]

পাশাপাশি তিনি জানতে চান কেন রেশন দোকানগুলি নরেন্দ্র মোদির ছবি নেই। তাঁর কোনও প্রশ্নেরই উত্তর দিতে পারেননি জেলাশাসক। এরপরই নির্মলা তাঁকে জানান, কেন্দ্রের চাল যে সব রেশন দোকানে দেওয়া হচ্ছে, সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছবি লাগানো ফ্লেক্স ঝোলাতেই হবে। সেই সঙ্গে এও বলেন যে, ওই চালটির প্রতি কেজির জন্য কেন্দ্র ৩০ টাকা দেয়। রাজ্য সেখানে দেয় মাত্র ৪ টাকা।

অর্থমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, ”আমি আজ আপনাদের জানিয়ে যাচ্ছি। আমাদের লোকেরা এখানে এসে প্রধানমন্ত্রীর ব্যানার এখানে লাগিয়ে যাবে। আপনি একজন জেলাশাসক হিসেবে এটা নিশ্চিত করবেন যেন তা সরিয়ে বা ছিঁড়ে না ফেলা হয়।”

অর্থমন্ত্রীর এহেন আচরণকে কেন্দ্র করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। তেলেঙ্গানার অর্থমন্ত্রী টি হরিশ রাও বলেছেন, ”কী করে একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী একজন জেলাশাসকের কাছে এভাবে জবাবদিহি চাইতে পারেন বা মোদির ছবি লাগাতে বলতে পারেন। এটা বলার কোনও অধিকারই নেই ওঁর।”

এদিকে এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে কংগ্রেসের প্রচার বিভাগের প্রধান জয়রাম রমেশের দাবি, ”২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইন প্রবর্তিত হয় ড. মনমোহন সিংয়ের সরকারের আমলে। রাজনৈতিক নেতাদের ছবি টাঙানোর মতো কোনও প্রত্যাশা কখনওই ছিল না।” প্রধানমন্ত্রী মোদির সুনজরে থাকতেই তাঁর এই আচরণ বলেই খোঁচা দেন তিনি। 

[আরও পড়ুন: নিয়ম ভেঙে জোর করে বিমান ওড়ানোর দাবি! মনোজ তিওয়ারি-সহ ২ BJP সাংসদের বিরুদ্ধে FIR]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.