সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এবার অমর্ত্য সেনকে পালটা আক্রমণ নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান রাজীব কুমারের। ভারতে কেমন উন্নতি হয়েছে তাঁর বাস্তব ছবিটা দেখতে হলে অন্তত কিছুদিন এদেশে কাটিয়ে যান, নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদকে চ্যালেঞ্জ রাজীব কুমারের। দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকা নিবাসী অমর্ত্য সেন কদিন আগেই দেশের অর্থনীতির অধোঃগতি নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ করেছিলেন। তার পালটা দিতে এবার আসরে নামলেন মোদি সরকারের এই শীর্ষকর্তা।
[বন্দুকের ভয়ে যুবককে বিয়েতে রাজি হলেন ভোপালের সেই মডেল]
দিন কয়েক আগেই একটি সাক্ষাৎকারে অমর্ত্য সেন বলেন, নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই পিছনের দিকে এগোতে শুরু করেছে ভারতের অর্থনীতি। ক্রমাগত পিছিয়ে যাচ্ছে আমাদের দেশ। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর মন্তব্যকে ভালভাবে নেয়নি গেরুয়া শিবির। বিজেপির বেশ কিছু নেতামন্ত্রী ইতিমধ্যেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তাঁর বিরুদ্ধে। কখনও কখনও তাদের কটাক্ষ পরিণত হয়েছে ব্যক্তিগত আক্রমণে। অমর্ত্য সেনের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচারও শুরু করেছে বেশ কিছু দক্ষিণপন্থী সংগঠন।
[পছন্দ হয়েছে, ১৫ লক্ষ বছরের পুরনো নিদর্শন জাদুঘর থেকে নিয়ে উধাও প্রৌঢ়]
এবার আসরে নামলেন সরকারি আমলাও। একটি সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন অমর্ত্য সেনকে। রাজীব কুমার বলেন, “আমার মনে হয় কোনও মন্তব্য করার আগে অমর্ত্য সেনের ভারতে আসা উচিত, দেখে যাওয়া উচিত এখানকার পরিস্থিতি কতটা বদলে গিয়েছে, গত চারবছরে কী পরিমাণ কাজ হয়েছে।” এরপর অমর্ত্য সেনের উদ্দেশ্যে চ্যালেঞ্জও ছুঁড়ে দেন নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, “ অধ্যাপক সেনকে আমি চ্যালেঞ্জ করছি। পারলে আর কোনও সরকারের প্রথম চারবছরে এতগুলি আর্থিক সংস্কার হয়েছিল দেখান, আর কোন সরকারের আমলে অর্থনীতি এর চেয়ে শক্তিশালী দেখিয়ে দিন।”
[লোকসভা ভোটের আগেই রাম মন্দির, অমিত শাহের মন্তব্যে বিতর্কের ঝড়]
মোদি সরকারের সঙ্গে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদের সম্পর্ক অনেকটা সাপে-নেউলের সম্পর্কের মতোই। এর আগে একাধিকবার প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনায় মুখর হয়েছেন অমর্ত্য সেন। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদকে ছেড়ে কথা বলেননি খোদ প্রধানমন্ত্রী। গতবছর উত্তরপ্রদেশের নির্বাচনী প্রচারে তাঁর হার্বাড-হার্ড ওয়ার্ক মন্তব্য এখনও সমালোচিত হয়।