সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চল্লিশে চালসে। চল্লিশের বেশি বয়স হলে আপনার জন্য ভারতীয় যুব মোর্চার দরজা বন্ধ। যারা চল্লিশের কাছাকাছি তারা এবার দলের মূল সংগঠনে যাওয়ার ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করুন। নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছাতে তারুণ্যে ভরসা রাখছে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। মহারাষ্ট্র দিয়ে ঘর গোছানো শুরু হয়েছে। গোটা দেশে এই ফর্মুলা প্রয়োগ করতে চায় তারা। বেশ কিছু নির্দেশিকায় বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে একই পদে একবারের বেশি থাকা যাবে না।
[বাংলার জামাই হলেন রাষ্ট্রপতি, বর্ধমানে শ্যালকের পাড়ায় অকাল দীপাবলি]
দেশের প্রায় প্রতিটি রাজনৈতিক দলের রয়েছে যুব সংগঠন। কারণ যুবদের মধ্যে থেকে নেতারা উঠে আসে। বিজেপির যুব সংগঠনে এই উদাহরণ ভুরি ভুরি। রাজনাথ সিং, প্রমোদ মহাজন, উমা ভারতী, অনুরাগ ঠাকুরের মতো নেতার যুব মোর্চারই ফসল। প্রমোদ মহাজন কন্যা পুনম মহাজন যার নবতম সংযোজন। সাপ্লাই লাইন ঠিক রাখতে বিজেপি এবার কিছু অপ্রিয় সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে। ঠিক হয়েছে ৪০ বছর হলেই আর যুব মোর্চা করা যাবে না। রাজনৈতিক পুনর্বাসন কর্মীদের নিজেদের করে ফেলতে হবে। কেউ দুবারের বেশি একই পদে থাকতে পারবেন না। বিজেপির মহারাষ্ট্র এবং মুম্বই ইউনিটে এই কাজ শুরু হয়েছে। এবার বিহার এবং মধ্যপ্রদেশে এই পদ্ধতি প্রয়োগ হবে। তারপর ধীরে ধীরে গোটা দেশে।
[সন্ত্রাসীদের আর্থিক মদত, কাশ্মীরে গ্রেপ্তার বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা]
খাঁড়া কাদের ওপর পড়তে চলেছে তার তালিকাও তৈরি হয়েছে। বয়সের মাপকাঠিতে পড়ে গেলে সেই কর্মীকে যুব মোর্চা ছাড়তে হবে। জেলা এবং ব্লক স্তরে এই সীমা ৩০ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় দড়, তাদেরকে তুলে আনতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যুব টিমের ২০ শতাংশ সদস্য করা হবে মেয়েদের। যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় তারা বাড়তি গুরুত্ব পাবেন। যারা ২০০০ সালে জন্মেছেন তারা ২০১৯ এর নির্বাচনে প্রথমবার ভোট দেবেন। এই নব্য ভোটাররাই বিজেপির টার্গেট। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পরিকল্পনায় রয়েছে এই নবীন প্রজন্ম। তাদেরকে কাছে টানতে যুব সংগঠনকে বয়সের মেদ ঝরাতে চাইছে বিজেপি। তবে কংগ্রেস, বাম এবং অন্যান্য দলগুলির যুব সংগঠনে ৫০ পেরনো কর্মীকেও দেখা যায়। গেরুয়া শিবির উদ্যোগ নিয়ে এধরনের অভিযোগের দরজাটা বন্ধ করে দিতে চাইছে।