Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

এবার থেকে সংসদে ২২টি ভাষায় কথা বলতে পারবেন সাংসদরা

ঘোষণা বেঙ্কাইয়া নায়ডুর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০১৮, ২১:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০১৮, ২১:৩২

options
link
এবার থেকে সংসদে ২২টি ভাষায় কথা বলতে পারবেন সাংসদরা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  বুধবারই সংসদে শুরু হল বর্ষাকালীন অধিবেশন। অধিবেশন শুরুর দিনই সাংসদদের জন্য বড়সড় ঘোষণা করলেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান এম বেঙ্কাইয়া নায়ডু। তিনি বলেন, এবার রাজ্যসভাতে ২২টি ভাষায় কথা বলার সুযোগ পাবেন সাংসদরা। নতুন করে পাঁচটি ভাষা যুক্ত হওয়ার পর এবার থেকে মোট ২২টি ভাষায় কথা বলতে পারবেন সাংসদরা। নবনিযুক্ত ডোগরি, কাশ্মীরি, কোঙ্কনি, সাঁওতালি ও সিন্ধি ভাষায় কথা বলতে পারবেন তাঁরা। বর্ষাকালীন অধিবেশন শুরুর প্রথম দিনে বেঙ্কাইয়া নায়ডুর  ঘোষণায় খুশি সাংসদরা।

[বাদল অধিবেশনের প্রথম দিনে লোকসভায় অনাস্থা প্রস্তাব পেশ বিরোধীদের]

এতদিন রাজ্যসভায় অহমিয়া, বাংলা, গুজরাটি, হিন্দি, কন্নড়, মালায়ালাম, মারাঠি, ওড়িয়া, পাঞ্জাবি, তামিল ও উর্দু-সহ সতেরোটি ভাষায় সাংসদরা কথা বলতে পারতেন। বর্ষাকালীন অধিবেশনের শুরুতেই রাজ্যসভার চেয়ারম্যান এম বেঙ্কাইয়া নায়ডু বলেন, এবার থেকে আরও পাঁচটি ভাষা যুক্ত করা হল। সুতরাং এবার থেকে মোট ২২টি ভাষায় কথা বলতে পারবেন সাংসদরা। গ্রীষ্মকালীন অধিবেশন পর্যন্ত সংসদে ১৭টি ভাষার অনুবাদক ছিলেন। অহমিয়া, বাংলা, গুজরাটি, হিন্দি, কন্নড়, মালায়ালাম, মারাঠি, ওড়িয়া, পাঞ্জাবি, তামিল ও উর্দু ভাষা অনুবাদ করতে পারতেন অনুবাদকরা। কিন্তু এবার আর ১৭টি ভাষা অনুবাদক নয়, তার পরিবর্তে ২২টি ভাষায় কথা বলতে পারবেন সাংসদরা। সংসদে অনুবাদকের সংখ্যা বাড়ায়, বিভিন্ন ভাষায় কথা বলার সুযোগ বাড়ল বলেই মনে করা হচ্ছে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[সংসদে শুরু বাদল অধিবেশন, বিরোধীদের কাছে সহযোগিতার আরজি মোদির]

তবে কোন ভাষায় কথা বলতে চান সাংসদরা। সে বিষয়ে আগাম নোটিস দিতে হবে সাংসদদের। সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনে একথাও ঘোষণা করেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নায়ডু। তিনি বলেন, ‘প্রথমে সব বক্তার কথা বলার গতির সঙ্গে তাল মেলাতে সমস্যা হতে পারে অনুবাদকদের। তবে ধীরে ধীরে সমস্যা মিটে যাবে। সাংসদদের গতির সঙ্গে তাল মেলাতে পারবেন অনুবাদকরা। সেক্ষেত্রে অনুবাদের কাজও খুব সহজেই করতে পারবেন তাঁরা।’

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.