Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
One North East

হিমন্তর নেতৃত্বে অনাস্থা, উত্তর-পূর্বে তৈরি হচ্ছে এনডিএ শরিকদের বিকল্প জোট ‘ওয়ান নর্থ-ইস্ট’

জোটসঙ্গীদের দুর্বল করে দেয় বিজেপি, অভিযোগ তুলে উত্তর পূর্বাঞ্চল গণতান্ত্রিক জোট ছাড়ছে উত্তর-পূর্বের একাধিক দল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০২৫, ১৪:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০২৫, ১৪:২০

options
link
হিমন্তর নেতৃত্বে অনাস্থা, উত্তর-পূর্বে তৈরি হচ্ছে এনডিএ শরিকদের বিকল্প জোট ‘ওয়ান নর্থ-ইস্ট’ zoom
ত্রিপুরার সভায় কনরাড ও প্রদ্যোত। নিজস্ব চিত্র।

প্রণব সরকার, আগরতলা: উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজনীতিতে বিরাট বদল! হিমন্ত বিশ্বশর্মার নেতৃত্বে অনাস্থা প্রকাশ করে উত্তর পূর্বাঞ্চল গণতান্ত্রিক জোট অর্থাৎ NEDA থেকে সরে আসছে বিজেপির ছোট জোট শরিক দলগুলি। বিকল্প মঞ্চ হিসাবে ত্রিপুরার রাজা প্রদ্যোত মাণিক্য দেববর্মার নেতৃত্ব তৈরি হচ্ছে ‘ওয়ান নর্থইস্ট’। বৃহস্পতিবার ওই জোটের শক্তিপরীক্ষা হয়ে গেল বিজেপি শাসিত ত্রিপুরায়।

মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে উত্তর পূর্বাঞ্চলের জনজাতিদের প্রতিনিধি নিয়ে আগরতলার বিবেকানন্দ ময়দানে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিল তিপ্রা মথা। প্রদ্যোৎ কিশোরের অভিযোগ, “বিজেপি নিজেদের শরিক দলকেই দুর্বল করে দেয়। যেভাবে করে দেওয়া হয়েছে শিব সেনা থেকে শুরু করে আরও কিছু আঞ্চলিক দলকে।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বৃহস্পতিবারের ওয়ান নর্থইস্ট একতা র‍্যালিতে উপস্থিত ছিলেন মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা, নাগাল্যান্ডের প্রাক্তন মন্ত্রী এমএমহনলুমো কিকন, মনিপুরের নেতা আর কে মেগন-সহ উত্তর–পূর্বাঞ্চলের কয়েকজন জনজাতি নেতা। প্রদ্যোত কিশোর দের্ববমা বলেন, বর্তমানে জনজাতিদের আর্থিক অবস্থা সংকটময় হলেও লড়াই করার শক্তি ও সাহস তাঁদের রয়েছে। আজ জনজাতিদের হাতে টাকা নেই, কিন্তু আত্মবিশ্বাস আছে। নর্থইস্ট ওয়ান মঞ্চ জনজাতিদের জন্য একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম। একদিন অবশ্যই গ্রেটার তিপ্রাল্যান্ডের দাবির বাস্তবায়ন হবে।

তাঁর অভিযোগ, জাতীয় রাজনৈতিক দলগুলি জনজাতিদের যথাযথ মূল্য দেয় না। বহু আঞ্চলিক দল লোভ বা স্বার্থের জন্য জাতীয় দলের সঙ্গে জোট বাঁধে, কিন্তু পরবর্তীতে সেই আঞ্চলিক দলগুলিকে রাজনৈতিকভাবে বিলীন করে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, “আইপিএফটির উচিত তিপ্রা মথার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করা। বুবাগ্রার সঙ্গে শক্তি এক করলে তবেই জনজাতি স্বার্থ রক্ষা সম্ভব। একা লড়াই করলে শিব সেনা, অসম গণ পরিষদ, বোড়োল্যান্ড পিপলস ফ্রন্ট বা বিভিন্ন রাজ্যের অন্যান্য আঞ্চলিক দলের মতো মুছে যেতে হবে, বলে দাবি করেন তিনি। তাই অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে নর্থইস্ট মঞ্চের মাধ্যমে জনজাতিদের একত্রে আওয়াজ তুলতে হবে। কারণ, একতাই শক্তি।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.