সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পঞ্চকুলায় গণ আত্মহত্যার ঘটনার নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য। বিপুল ঋণ শোধ করতে না পারায় পাওনাদারেরা লাগাতার খুনের হুমকি দিচ্ছিল প্রবীণ বিত্তল ও তাঁর পরিবারকে। মৃতের মামাতো ভাই সংবাদমাধ্যমকে জানান, ব্যবসায় লোকসানের জেরে প্রায় ২০ কোটি টাকার ঋণে জড়িয়ে পড়ে পরিবারটি। যার জেরেই এই ঘটনা।
সম্প্রতি হরিয়ানার পঞ্চকুলায় একটি বন্ধ গাড়ির ভিতর থেকে উদ্ধার হল একই পরিবারের ৬ সদস্যের মৃতদেহ। স্থানীয় বাসিন্দারা গাড়ির ভিতর পরিবারের সদস্যদের অচেতন অবস্থায় দেখে তাঁদের উদ্ধার করেন। দেখা যায়, তাঁদের মধ্যে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একজন তখনও জীবিত ছিলেন। মৃত্যুর আগে পরিবারের সেই সদস্য ঋণে ডুবে থাকার বিষয়টি জানান। মৃত্যুর ঠিক আগে তিনি বলেন, ”আর ৫ মিনিটের মধ্যে আমি মারা যাব। কারণ আমিও বিষ খেয়েছি।”
মৃতের খুড়তুতো ভাই সন্দীপ নামে এক যুবক সংবাদমাধ্যমকে জানান, হিমাচল প্রদেশে প্রবীণের একটি স্ক্র্যাপ কারখানা ছিল। তবে ব্যাঙ্কের ঋণ শোধ করতে না পারায় তা বাজেয়াপ্ত হয়ে যায়। দেনার জেরেই হিসার ছেড়ে পঞ্চকুলায় চলে আসে পরিবারটি। এমনকী একটা সময় তাঁরা দেরাদুনেও চলে যায়। গত ৫ বছর ধরে ওই পরিবার কারও সঙ্গে যোগাযোগ রাখেনি। বিপুল টাকার ঋণ পরিবারটিকে শেষ পর্যন্ত মৃত্যু দিকে ঠেলে দিল। ওই আত্মীয়ের দাবি অনুযায়ী, ঋণে জর্জরিত হয়ে প্রবীণ মিত্তল শেষে ট্যাক্সি চালানোর কাজ করছিলেন। ব্যাঙ্ক তাঁর দুটি ফ্ল্যাট, কারখানা ও গাড়ি বাজেয়াপ্ত করেছিল।
সন্দীপের দাবি অনুযায়ী ৫ দিন আগে শেষবার প্রবীণের সঙ্গে কথা হয়েছিল। এমনকী জানা যাচ্ছে, নিজের সুইসাইড নোটে মিত্তল জানিয়েছেন খুড়তুতো ভাই সন্দীপ যেন তাঁদের শেষকৃত্য করেন।