Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
PM Modi

সাধারণতন্ত্র দিবসে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট আসার আগে মোদি-প্রসূন কথা

সিঙ্গাপুর-ইন্দোনেশিয়ার প্রবাসী বাঙালি শিল্পপতির সঙ্গে কথোপকথনে গুরুত্ব পেল ইন্দোনেশিয়া প্রসঙ্গ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২৫, ১২:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২৫, ১২:২৬

options
link
সাধারণতন্ত্র দিবসে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট আসার আগে মোদি-প্রসূন কথা zoom

স্টাফ রিপোর্টার: ১৯৫০। ২৬ জানুয়ারি। স্বাধীন ভারতের প্রথম সাধারণতন্ত্র দিবস। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট সুকর্ণ। দ্বিতীয় ঘটনা। ২০২৫। ২৬ জানুয়ারি। দেশের ৭৬তম সাধারণতন্ত্র দিবসে ফের একবার। এত বছর পর প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকছেন ইন্দোনেশিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট। প্রাবয়ো সুবিয়ান্তো। আর তার আগেই নানা বিষয়ে খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৈঠক করলেন সিঙ্গাপুর-ইন্দোনেশিয়ার প্রবাসী বাঙালি শিল্পপতি তথা ইউনিভার্সাল সাকসেস এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান প্রসূন মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে।

রাজনৈতিক মহলের ধারণা, প্রেসিডেন্ট প্রাবয়ো সুবিয়ান্তোকে প্রধান অতিথি হিসাবে আনার এই উদ্যোগের পিছনে রয়েছে কেন্দ্রের মোদি সরকারের অতি সূক্ষ্ম এক পদক্ষেপ। কোনও এক ইসলামিক দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে প্রধান অতিথি হিসাবে নিয়ে এসে কেন্দ্র নিজেদের ‘মুসলিম-দরদি’ হিসাবে তুলে ধরার চেষ্টা চালাচ্ছে। 

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পাশাপাশি, বর্তমানে দিল্লি-জাকার্তা সম্পর্কও নতুন মাত্রা পেয়েছে। ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে ব্রহ্মোস চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রেসিডেন্টের এই ভারত সফরেই সেই চুক্তি হতে পারে। ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জাকার্তায় ভারতীয় দূতাবাসে ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের জন্য ৪৫০ মিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি করার বার্তা পাঠিয়েছে।

দিল্লির পাশাপাশি, জাকার্তার দিক থেকেও এই সফর বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। সে জন্যই ভারতের বার্তা পাওয়ার পরই দিল্লি থেকে ইসলামাবাদ যাওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রাবয়ো। সুবিয়ান্তো ভারত থেকে সরাসরি তাঁর দেশে ফিরবেন। তারপর সেখান থেকে পাকিস্তান যাবেন। কারণ, ভারতের ঘোষিত অবস্থানই হল, তাদের সঙ্গে পাকিস্তানের সফরকে যেন এক বন্ধনীতে না-রাখা হয়। ভারতের সেই অবস্থানকে মান্যতা দিতে বাধ্য হয়েছে ইন্দোনেশিয়া।
ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের এই ভারত সফর নয়াদিল্লির কাছ কতটা গুরুত্বপূর্ণ–তার আরও এক প্রমাণ মিলেছে বৃহস্পতিবার। ইন্দোনেশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি, প্রেসিডেন্ট সুবিয়ান্তোর বিষয়ে খুঁটিনাটি বিষয় জানতে বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী মোদি বৈঠক করেছেন সিঙ্গাপুর-ইন্দোনেশিয়ার প্রবাসী বাঙালি শিল্পপতি প্রসূন মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে। প্রায় ঘণ্টাখানেক তাঁদের মধ্যে কথা হয়।

প্রসূনের কাছ থেকে প্রধানমন্ত্রী জানতে চান ইন্দোনেশিয়ার সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্পর্কে। খোঁজ নিয়েছেন ইন্দোনেশিয়া ও আশিয়ার বৈঠকের বিষয়েও। পরে প্রবাসী শিল্পপতি জানান, প্রেসিডেন্ট সুবিয়ান্তোর আমলে সে দেশের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি, শিল্প-বাণিজ্য সংক্রান্ত ক্ষেত্রে সরকারের মনোভাবের বিষয়ে বিস্তারিতভাবে তথ্য নেন মোদি।

প্রসঙ্গত, ২০৩০ সালের এশিয়া প্যাসিফিক ইকোনমিক কো-অপারেশন (এপেক)-এর সিইও সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে সিঙ্গাপুরে। শুরু হয়ে গিয়েছে তার প্রস্তুতি পর্ব। প্রসূনের নেতৃত্বেই সম্প্রতি এক আলাপচারিতা পর্বও অনুষ্ঠিত হয়েছে।  ভারত-সহ মোট ১৮টি দেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন সেখানে। স্বাভাবিকভাবেই, সে জন্যই প্রসূনের মতো এক জনের সঙ্গে কথা বলে সামগ্রিক পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করেছেন প্রধানমন্ত্রী– মত বিশেষজ্ঞদের।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.