সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগেই ‘হিন্দু পাকিস্তান’ মন্তব্য করে শিরোনামে এসেছিলেন কংগ্রেস নেতা শশী থারুর। থারুর বলেছিলেন বিজেপি আবার ক্ষমতায় এলে ভারতকে হিন্দু পাকিস্তানে পরিণত করবে। আসলে মোদি জমানায় হিন্দু মৌলবাদকে আক্রমণ শানাতে চেয়েছিলেন কংগ্রেস সাংসদ। কিন্তু তাঁর মন্তব্যে বিস্তর বিতর্ক তৈরি হয়েছে। একইরকম মন্তব্য করে বিতর্কে জড়ালেন আরেক কংগ্রেস নেতা তথা মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দিগ্বিজয় সিং। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে পাকিস্তানের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি জিয়াউল হকের সঙ্গে তুলনা করলেন তিনি।
[লোকসভার আগে প্রচারে ঝড়, ফেব্রুয়ারির মধ্যেই ৫০টি জনসভার পরিকল্পনা মোদির]
দিগ্বিজয় বলেন, “উগ্রপন্থা থেকেই সন্ত্রাসবাদের জন্ম হয়। পাকিস্তানে একসময় এই উগ্রপন্থাকে সমর্থন করেছিলেন জিয়াউল হক। এখন এদেশেও এই উগ্রপন্থাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে শাসকদল। তথাকথিত এই উগ্র হিন্দুত্ব দেশের জন্য বিপজ্জনক।” উদাহরণ হিসেবে মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তুলে ধরেন, তালিবানের উদাহরণ। তিনি বলেন, “জিয়াউল হক ধর্মীয় সংগঠন হিসেবে তালিবানকে সমর্থন করা শুরু করেছিলেন, জামাত-এ-ইসলামকে সমর্থন করেছিলেন, তারপর থেকেই পাকিস্তানে সন্ত্রাস বেড়ে গিয়েছে। এখন দেখা যায় ভারতের থেকে পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ অনেক বেশি হয়, প্রতিদিন বোমা বিস্ফোরণ হচ্ছে। এসব কিন্তু পাকিস্তানীরাই করছে। মুসলিমরাই মুসলিমদের মারছে।একই পরিস্থিতি আফগানিস্তানেও।” আসলে পাকিস্তানের উদাহরণ টেনে দিগ্বিজয় বোঝাতে চাইলেন উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে ভারতেও পরবর্তীকালে সন্ত্রাসের আহব সৃষ্টি হবে। এমনটাই মত রাজনৈতিক মহলের।
Extremism leads to terrorism. Religious extremism as promoted by Zia-ul-Haq in Pakistan led to spurt in terrorism there. There is religious extremism being promoted by ruling government in India, the so called Hindutva, this is a similar dangerous trend: Digvijaya Singh, Congress pic.twitter.com/igp9894xcF
— ANI (@ANI) July 13, 2018
[বিজেপির বিভাজন নীতিতে আরও সালাউদ্দিন জন্মাবে কাশ্মীরে, বিস্ফোরক মুফতি]
এর আগে একাধিক বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা। যার সাম্প্রতিকতম উদাহরণ হিন্দুত্ব নিয়ে তাঁর মন্তব্য। তিনি বলেন, যে সমস্ত সন্ত্রাসবাদীরা হিন্দু ধর্মের তারা সবাই আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত। সেই মন্তব্যের পরও বিস্তর জলঘোলা হয়েছিল। এবছরই মধ্যপ্রদেশের নির্বাচন। তাঁর আগে দলের প্রভাবশালী নেতার বেফাঁস মন্তব্যে কিছুটা হলেও অস্বস্তিতে কংগ্রেস।