সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রেলের টিকিটে ছবি রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। নির্বাচনের ঘোষণা হয়ে গিয়েছে, তা সত্ত্বেও টিকিট থেকে সরানো হয়নি প্রধানমন্ত্রীর ছবি। এনিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে বিজেপির বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনে ইতিমধ্যেই দায়ের করা হয়েছে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন নোটিস জারি করতে চলেছে বলে খবর।
তৃণমূলের তরফে অভিযোগ জানানো হয়েছে, রেলের টিকিটের পিছনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছবি লাগিয়ে মূলত প্রচার চালাচ্ছে বিজেপি। এটি তারা বিজ্ঞাপন হিসেবে ব্যবহার করছে। এটি নির্বাচনী বিধির বিরোধী। নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া একটি চিঠিতে জানানো হয়েছে, রেলের টিকিটে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বিজ্ঞাপন। তার সঙ্গে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর ছবি। অভিযোগ, এই টিকিটের মাধ্যমে প্রচার চালাচ্ছে বিজেপি। নির্বাচনের দিন ঘোষণার পরও এই টিকিট তুলে নেয়নি রেলমন্ত্রক। এতে নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ হয়েছে।
[ সমঝোতা এক্সপ্রেস বিস্ফোরণ মামলায় বেকসুর খালাস স্বামী অসীমানন্দ ]
তবে রেলমন্ত্রকের তরফ থেকে এর জবাব দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে, যেই কাগজে রেলের টিকিট ছাপা হচ্ছে, তা অনেক দিন আগেই কাউন্টারগুলিতে পৌঁছেছে। তাই নির্বাচনের দিন ঘোষণার পরও প্রধানমন্ত্রীর ছবি দেওয়া টিকিট পাচ্ছে মানুষ। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে রেলমন্ত্রকের তরফ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
ভোটের মরশুম মানেই রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ির খেলা। এবারেও তার ব্যতিক্রম নেই। নির্বাচন কমিশন ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের পর থেকেই কোমর বেঁধে আসরে নেমে পড়েছে রাজ্যের চার রাজনৈতিক দল-তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি, কংগ্রেস ও বামফ্রন্ট। কেউ কাউকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়তে নারাজ। এমন অবস্থায় বিরোধী পক্ষ এতটুকু বেসমাল হলেই তার দিকে ধেয়ে আসছে বিপদ। অন্য দল তাদের ছেড়ে কথা বলছে না। তাই এমন পরিস্থিতিতে রেলের টিকিটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছবি থাকা যে বিজেপির রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলির কাছে একটি বড় অস্ত্র, তা বলে দিতে হয় না। আর সেই অস্ত্রই কাজে লাগিয়েছে রাজ্যের তৃণমূল কংগ্রেস।
[ হিমালয়ে হবে শতবর্ষের জন্মদিন উদযাপন, ৩০তম ট্রেকের প্রস্তুতি নবতিপর বৃদ্ধের ]