সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তাঁর কংগ্রেসে যোগদান নিয়ে বিস্তর লেখালেখি হয়েছে। কংগ্রেসের (Congress) হাল ফেরাতে তিনি নিজেও কম চেষ্টা করেননি। অন্তত বাইরে থেকে তাঁকে সচেষ্ট বলেই মনে হয়েছে। কিন্তু দু’টোর কোনওটিই ফলপ্রসূ হয়নি। সেই প্রশান্ত কিশোর এবার আগামী ভবিষ্যদ্বাণী করে দিলেন, গুজরাট এবং হিমাচল প্রদেশের আসন্ন নির্বাচনেও ভরাডুবি হতে চলেছে কংগ্রেসের। পিকের সাফ কথা, রাজস্থানের উদয়পুরে কংগ্রেস ঢাকঢোল পিটিয়ে যে চিন্তন শিবিরের আয়োজন করেছিল, তাতেও কাজের কাজ কিছু হয়নি।
I’ve been repeatedly asked to comment on the outcome of #UdaipurChintanShivir
AdvertisementIn my view, it failed to achieve anything meaningful other than prolonging the status-quo and giving some time to the #Congress leadership, at least till the impending electoral rout in Gujarat and HP!
— Prashant Kishor (@PrashantKishor) May 20, 2022
শুক্রবার টুইট করে প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor) বলেন,”আমাকে লোকে বারবার জিজ্ঞেস করছে উদয়পুর চিন্তন শিবিরের ফলাফল কী হল। আমার মতে এটাতে অর্থবহ কোনও লাভ কংগ্রেসের হয়নি। শুধু বর্তমান পরিস্থিতিকে দীর্ঘস্থায়ী করা হয়েছে। কংগ্রেস নেতৃত্ব আরও খানিকটা সময় পেয়ে গেল। অন্তত গুজরাট (Gujarat) এবং হিমাচলের বিধানসভায় ভরাডুবি হওয়া পর্যন্ত।” অর্থাৎ ঘুরিয়ে পিকে বলেই দিলেন, গুজরাট এবং হিমাচল প্রদেশের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনেও ভরাডুবিই হতে চলেছে কংগ্রেসের।
[আরও পড়ুন: কর্মীদের আগামী ২৫ বছরের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করার নির্দেশ, মোদির মুখে দীর্ঘস্থায়ী পরিকল্পনা]
বস্তুত কয়েক সপ্তাহ আগেই কংগ্রেস নেতৃত্বের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেন প্রশান্ত কিশোর। কংগ্রেসের পুনরুত্থানের জন্য দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে একগুচ্ছ পরামর্শও দেন পিকে। এমনকী তাঁকে দলে যোগ দেওয়ারও প্রস্তাব দেয় কংগ্রেস। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কংগ্রেসের ওই প্রস্তাব খারিজ করে দেন পিকে। আপাতত তিনি নিজের আলাদা রাজনৈতিক দল খোলার অপেক্ষায়। একইসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC), টিআরএসের (TRS) মতো দলগুলির পরামর্শদাতা হিসাবেও কাজ করছেন পিকে।
[আরও পড়ুন: জম্মু-কাশ্মীরে সুড়ঙ্গে দেওয়াল ধসে দুর্ঘটনা, চাপা পড়ে মৃত্যু হল বাংলার ৫ শ্রমিকের]
পিকে (PK) কংগ্রেসে যোগ না দিলেও তাঁর অনেক পরামর্শই মেনে নেওয়া হয়েছে বলে কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি। উদয়পুরের চিন্তন শিবিরে বেশ কিছু কঠোর কিন্তু কার্যকরী পদক্ষেপ করা হয়েছে বলেও দাবি হাত শিবিরের। এমনকী, পিকের সুপারিশ মেনে সংগঠনে তরুণদের উপস্থিতি বাড়াতে সব কমিটি এবং দলীয় পদে তরুণদের জন্য ৫০ শতাংশ সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দলে এক ব্যক্তি এক পদ, এক পরিবার এক টিকিটের মতো পদক্ষেপের কথা ভাবা হয়েছে। কিন্তু পিকে বলছেন, এগুলির কোনওটিই তেমন ফলপ্রসূ হবে না।