Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
সন্তানের জন্ম

মাঝরাস্তায় সন্তানের জন্ম, ঘণ্টাদুয়েক বিশ্রামের পর ১৫০ কিমি হাঁটলেন পরিযায়ী শ্রমিকের স্ত্রী

পুলিশের নজরে পরার পর স্বাস্থ্যপরীক্ষা হয় তাঁর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০২০, ১১:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০২০, ১১:৫৬

options
link
মাঝরাস্তায় সন্তানের জন্ম, ঘণ্টাদুয়েক বিশ্রামের পর ১৫০ কিমি হাঁটলেন পরিযায়ী শ্রমিকের স্ত্রী zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শরীরের ভিতর দিব্যি মিলছিল প্রাণের অস্তিত্ব। প্রথম প্রথম বেশ উপভোগ করছিলেন হবু মা। কিন্তু লকডাউনে বদলে গেল জীবনের চেনা ছন্দ। আর্থিক দুশ্চিন্তায় গর্ভস্থ সন্তানের কথা প্রায় ভোলার জোগাড়। মনে একটাই চিন্তা, যে কোনও উপায়ে বাড়ি ফিরতে হবে। শ্রমিক স্পেশ্যাল ট্রেনে সুযোগ মেলেনি। তাই বাধ্য হয়ে পরিযায়ী শ্রমিক স্বামীর হাত ধরে হাঁটতে থাকেন অন্তঃসত্ত্বা। পথেই সন্তানের জন্ম দেন তিনি। দু’ঘণ্টা বিশ্রাম নিয়ে আবারও ১৫০ কিলোমিটার রাস্তা হাঁটেন ওই মহিলা।

জানা গিয়েছে, ওই মহিলার বাড়ি মধ্যপ্রদেশের সাতনায়। মহারাষ্ট্রের নাসিকে শ্রমিকের কাজ করতেন তাঁর স্বামী। লকডাউনের মাঝে বাড়ি ফেরার আশায় হাঁটতে শুরু করেন তিনি। গত মঙ্গলবার সকালে রাস্তার মাঝে প্রসব যন্ত্রণা শুরু হয় তাঁর। সেখানেই জন্ম দেন ফুটফুটে এক সন্তানের। রাস্তার পাশে শুয়ে দু’ঘণ্টা বিশ্রাম নেন সদ্য সন্তানের জন্ম দেওয়া ওই তরুণী। কিন্তু সন্তানকে কোলে নিয়ে বসে তখন বিশ্রাম করার যে ফুরসত নেই তাঁর। তাই তো সদ্যোজাতের জন্মের মাত্র দু’ঘণ্টা পরই আবারও স্বামীর হাত ধরে হাঁটতে শুরু করেন। প্রায় ১৫০ কিলোমিটার হাঁটেন তিনি। সাতনার স্বাস্থ্য আধিকারিক একে রায় বলেন, “সীমান্ত এলাকায় বাসের বন্দোবস্ত ছিল। কয়েকশো কিলোমিটার হাঁটার পর প্রশাসনিক তৎপরতায় সরকারি বাসে বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হয় তাঁদের। করা হয় স্বাস্থ্য পরীক্ষাও।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ঠিক একইরকম ঘটনার সাক্ষী আরও এক পরিযায়ী শ্রমিকের স্ত্রীও। তেলেঙ্গানার সাঙ্গারেড্ডি থেকে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেই হাঁটতে শুরু করেন ওই মহিলা। লক্ষ্য ছত্তিশগড়ের রাজনন্দগাঁওতে নিজের বাড়ি ফেরা। কিন্তু মাঝরাস্তাতেই সন্তানের জন্ম দেন ওই মহিলা। তারপর আবারও ক্লান্ত শরীরে হেঁটে বাড়ি ফেরেন তিনি।

[আরও পড়ুন: মোদির দাওয়াইয়ে চনমনে শেয়ার বাজার, লাফিয়ে বাড়ল সূচক]

শ্রমিকদের ফেরাতে বিশেষ ট্রেন চালানো হচ্ছে। তা সত্ত্বেও কেন হেঁটে বাড়ি ফিরতে গিয়ে কেউ প্রাণ হারাচ্ছেন তো কেউ রাস্তার মাঝে দিচ্ছেন সন্তানের জন্ম। কেন এমন ঘটছে, সেই প্রশ্নের উত্তর অধরা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রাজনৈতিক চললেও, শ্রমিকদের নিজের রাজ্যে ফেরা নিয়ে মাথাব্যথা নেই কারও। তাই বাধ্য হয়ে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফেরার নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন পরিযায়ী শ্রমিকেরা।

[আরও পড়ুন: মোট আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে চিনের নিচেই ভারত! গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত শতাধিক]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.