Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Operation Sindoor

‘অপারেশন সিঁদুরের প্রথম দিনই ভারত হেরে গিয়েছিল’, মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যে বিতর্ক

'সেনাকে অপমানের অধিকার কারও নেই', প্রতিবাদ বিজেপির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫, ১৪:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫, ১৪:৪০

options
link
‘অপারেশন সিঁদুরের প্রথম দিনই ভারত হেরে গিয়েছিল’, মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যে বিতর্ক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অপারেশন সিঁদুর নিয়ে মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে তুঙ্গে তরজা। অপারেশন সিঁদুরের প্রথম দিনই ভারত সম্পূর্ণ হেরে গিয়েছিল বলে দাবি পৃথ্বীরাজ চৌহানের। ইতিমধ্যেই তাঁর এহেন মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেছে বিজেপি। তবে পৃথ্বীরাজ জানিয়েছেন, তিনি তাঁর মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইবেন না।

ঠিক কী বলেছেন কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা? পুণেতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”অপারেশন সিঁদুরের প্রথম দিনেই আমরা পুরোপুরি হেরে গিয়েছিলাম। ৭ তারিখে (মে) যে আধঘণ্টার আকাশযুদ্ধ হয়েছিল, তাতে আমরা সম্পূর্ণভাবে পরাজিত হয়েছিলাম। তা স্বীকার করা হোক বা না হোক।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তাঁর এহেন মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেছে গেরুয়া শিবির। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা গিরিরাজ সিং জানিয়েছেন, দেশের সেনাকে অপমানের অধিকার কারও নেই। তাঁর কথায়, ”যাঁরা এমন মনে করেন, তাঁরা কখনও জাতীয় স্বার্থ নিয়ে ভাবতেই পারবেন না। সেনাকে অপমান করাটা কংগ্রেসের স্বভাবে পরিণত হয়েছে।”

এমন মন্তব্যের জবাব দিয়েছেন কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ প্রমোদন তিওয়ারি। সেনাকে ‘বিশ্বজয়ী বাহিনী’ বলে উল্লেখ করে বিজেপি ও মোদিকে খোঁচা মেরে তাঁর দাবি, ইন্দিরা গান্ধীর আমলেই সেনা এই অবস্থান অর্জন করেছিল। এদিকে আত্মপক্ষ সমর্থনে পৃথ্বীরাজ বলেছেন, তাঁর মন্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা হচ্ছে। সোমবার লোকসভায় পেশ হওয়া শান্তি বিল, পারমাণবিক বেসরকারিকরণ বিল থেকে মানুষের নজর ঘোরাতেই এমনটা করা হচ্ছে বলেও দাবি তাঁর।

প্রসঙ্গত, ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে ২৬ নিরস্ত্রকে হত্যা করে লস্করের ছায়া সংগঠন টিআরএফের চার জঙ্গি। এই হামলার জবাবে ৭ মে ভোর-রাতে অপারেশন চালায় ভারত। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নয়টি জঙ্গিঘাঁটি। এরপর ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলির জনবহুল এলাকা এবং সেনাঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় পাকিস্তান। সেই হামলা প্রতিহত করার পাশাপাশি প্রত্যাঘাত করে ভারত। তাতেই তছনছ হয়ে যায় পাকিস্তানের অন্তত ১১টি একধিক বায়ু সেনাঘাঁটি। ভারতীয় সেনার অভিযানে নিহত হয় ১০০ জনের বেশি জঙ্গি ও ৩৫-৪০ জন পাক সেনা। শেষ পর্যন্ত ইসলামাবাদের আর্জিতে সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয় নয়াদিল্লি।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.