Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

“রাহুল ফেল করা ছাত্র, ‘টপার’ মোদিকে হিংসা করে”, কটাক্ষ জেটলির

রাহুলের জন্যই ভণ্ডুল হচ্ছে সংসদের অধিবেশন, দাবি জেটলির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২১, ১৭:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২১, ১৭:৪৫

options
link
“রাহুল ফেল করা ছাত্র, ‘টপার’ মোদিকে হিংসা করে”, কটাক্ষ জেটলির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের কংগ্রেস সভাপতিকে ব্যক্তিগত আক্রমণ বিজেপি। এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখলেন অরুণ জেটলি। শারীরিক অসুস্থতার জন্য এখন বিদেশে চিকিৎসারত জেটলি। সেখান থেকেই একের পর এক ব্লগে বিরোধীদের কোণঠাসা করার চেষ্টা করছেন মোদির বিশ্বস্ত সেনাপতি। রবিবার জেটলি আক্রমণ শানালেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীকে। বিজেপির বর্ষীয়ান নেতার দাবি, রাহুল গান্ধী ফেল করা ছাত্র। টপার নরেন্দ্র মোদিকে হিংসা করেন তিনি।

[‘সমস্ত কাজে হস্তক্ষেপ করত রাহুল’, প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রীর আক্রমণের মুখে কংগ্রেস সভাপতি]

রাফালে ইস্যুতে এমনিতেই বেশ চাপে সরকার। সম্প্রতি একটি ইংরেজি সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবরে দেখানো হয়েছে, রাফালে চুক্তিতে হস্তক্ষেপ করেছিল প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর। সেই রিপোর্টকে হাতিয়ার করে ফের আসরে নেমেছেন রাহুল। কিন্তু জেটলির দাবি, রাফালে নিয়ে রাহুল যাবতীয় যা আক্রমণ শানাচ্ছেন সেসব শুধু নরেন্দ্র মোদির প্রতি ব্যক্তিগত ঘৃণার কারণে। তিনি বলেন, ” রাহুলের বক্তব্যগুলি যদি একটু ভাল করে খতিয়ে দেখা যায় তাহলেই বোঝা যাবে, রাফালে নিয়ে তিনি যা যা বলেছেন, সবই এসেছে নরেন্দ্র মোদির প্রতি ঘৃণা থেকে। রাহুল যে যুক্তিগুলি দিচ্ছেন, কলেজের কোনও বিতর্কসভায় সেই ধরনের যুক্তি দেওয়া হয়। আসলে, কংগ্রেস সভাপতি একজন ফেল করা ছাত্র, আর একজন ফেল করা ছাত্র সবসময় ক্লাস টপারকে হিংসে করে।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের বিরোধিতা, এনডিএ ছাড়ার হুঁশিয়ারি মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রীর]

রাহুলকে কটাক্ষ করতে গিয়ে তিনি অভিযোগ করেন, ইতিহাসে রাহুল গান্ধীর নামে শুধু ব্যর্থতাই লেখা থাকবে। জেটলির ভাষায়, ” পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরুর প্রপৌত্রকে ইতিহাস মনে রাখবে এমন একজন ব্যক্তি হিসেবে যিনি একার হাতে ভারতের সংসদীয় ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন। প্রত্যেকদিন সকাল ১১টায় সংসদের দুই কক্ষকেই একসঙ্গে বিব্রত করার চেষ্টা করা হয়। একসময় যে রাজ্যসভা এর আলোচনার মানের জন্য বিখ্যাত ছিল, সেই রাজ্যসভায় এখন আর কোনও কাজই হয় না।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.