Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
রাহুল গান্ধী নরেব্দ্র

“সরকার মুখে বলে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’, অথচ জিনিস কেনে চিন থেকে”, কেন্দ্রকে তোপ রাহুলের

আগের তুলনায় মোদি জমানায় বেড়েছে চিনা পণ্য আমদানি, পরিসংখ্যান দিয়ে দাবি রাহুলের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩০, ২০২০, ১৫:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩০, ২০২০, ১৫:০৮

options
link
“সরকার মুখে বলে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’, অথচ জিনিস কেনে চিন থেকে”, কেন্দ্রকে তোপ রাহুলের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশজুড়ে চিনা পণ্য বয়কটের ‘হুজুগের’ মধ্যেই মোদি সরকারকে বেনজির আক্রমণ কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi)। প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতির দাবি, এই সরকার মুখে দেশের মাটিতে উৎপাদনের কথা বললেও আসলে চিনা পণ্য আমদানিতেই বেশি স্বচ্ছন্দ। নিজের যুক্তির স্বপক্ষে একটি পরিসংখ্যানও প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি। 

রাহুল গান্ধীর দাবি, মোদি সরকার যতই ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র (Make In India) দামামা বাজাক, কার্যক্ষেত্রে এই জমানায় ভারতের চিন নির্ভরতা বেড়েছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের আমলে ভারত চিন থেকে যে পরিমাণ পণ্য আমদানি করত, তার চেয়ে মোদি জমানায় অনেক বেশি চিনা পণ্য আমদানি করা হয়। নিজের দাবির স্বপক্ষে প্রমাণ হিসেবে ভারতে চিনা পণ্য আমদানির একটি তুলনামূলক পরিসংখ্যানও প্রকাশ করেছেন রাহুল। যাতে দেখা যাচ্ছে, মনমোহন সিং জমানায় অর্থাৎ ২০০৮ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত ভারতের চিনা পণ্য আমদানির হার ছিল ১৪ শতাংশের নিচে। নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) ক্ষমতায় আসার পর তা বেড়ে হয়েছে ১৮ শতাংশ। একটি টুইটে এই পরিসংখ্যান দিয়ে রাহুল বলছেন, “পরিসংখ্যান কখনও মিথ্যে বলে না। মোদি সরকার মুখে বলে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র কথা। আর জিনিস কেনে চিন থেকে।”

[আরও পড়ুন: ইন্টারনেট পরিষেবা ফের বন্ধ হচ্ছে কাশ্মীর ও লাদাখে! অমিত শাহের টুইট ঘিরে শোরগোল]

লাদাখে চিন-ভারত অশান্তি এবং দুই দেশের সংঘর্ষে ভারতের ২০ জন জওয়ান শহিদ হওয়ার পর থেকেই দেশজুড়ে চিনা পণ্য বয়কটের ‘হুজুগ’ উঠেছে। স্রোতে গা ভাসিয়েছে কেন্দ্রও। নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে টিকটক, ইউসি ব্রাউসারের মতো জনপ্রিয় চিনা অ্যাপ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। যদিও বিরোধী শিবিরের দাবি, কেন্দ্রের এই নিষেধাজ্ঞা নেহাতই পর্বতের মূষিক প্রসবের মতো। কারণ, প্রতিবছর ভারত ও চিনের মধ্যে যে বিপুল পরিমাণ বাণিজ্যিক লেনদেন হয়, তার উপর এই নিষেধাজ্ঞার সে অর্থে কোনও প্রভাবই পড়বে না। কেন্দ্রের এই নিষেধাজ্ঞাকে নজর ঘোরানোর একটা ব্যর্থ প্রচেষ্টা বলে বর্ণনা করছে বিরোধী শিবির। 

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.