নব্যেন্দু হাজরা: রেলের কামরায় এবার থেকে থাকছে সিসিটিভির নজরদারি৷ কোটি টাকা ব্যয়ে বসছে গোপন ক্যামেরা৷ তৈরি হচ্ছে কণ্ট্রোল রুম৷ ট্রেনে বেড়ে চলা অপরাধের হার কমাতেই এই সিদ্ধান্ত রেল কর্তৃপক্ষের৷
এর জন্য বেশ ভালই খরচপাতি করতে হচ্ছে সুরেশ প্রভুর মন্ত্রককে৷ গুটিকয়েক গোপন ক্যামেরা বসাতেই রেলের খসেছে প্রায় ৩৭ লক্ষ টাকা৷ কিন্তু এই ক্যামেরা বসিয়ে ট্রেনের কামরায় অপরাধ কতটা রোখা যাবে তা জোর দিয়ে বলতে পারছেন না কোনও আধিকারিক৷ অধিকাংশের কথায়, যেখানে যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য বাড়াতে গিয়ে রেলের কোষাগারের বেহাল অবস্থা সেখানে এত টাকা খরচ করে ট্রেনের কামরায় সিসিটিভি বসানোর যুক্তি কী?
রেলসূত্রের খবর, ট্রেনের কামরায় অপরাধ ঘটলে তবেই তা উঠবে লুকানো ক্যামেরায়৷ ফলে অপরাধী ধরতে এই ক্যামেরা সাহায্য করলেও অপরাধ রোধে এই সিসিটিভি কতটা কার্যকর হবে তা নিয়ে রয়েছে সংশয়৷ অধিকাংশের মতে এর চাইতে আরপিএফ এবং জিআরপি-র সংখ্যা বাড়িয়ে দূরপাল্লার ট্রেনকে এসকর্ট করলে তা অনেক কার্যকর হতে পারত৷ ইতিমধ্যেই সান-ই-পাঞ্জাব এক্সপ্রেসে বসানো হয়েছে সিসিটিভি৷ স্লিপার ক্লাস, থ্রি এসি চেয়ার কার এবং নন এসি চেয়ার কার-সহ প্রতি কামরাতেই চার থেকে ছ’টি করে সিসিটিভি বসানো হয়েছে৷ মোট খরচ পড়েছে ৩৬.৭১ লক্ষ টাকা৷
প্রথম ধাপে মোট ১০টি ট্রেনে এই ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে রেলের৷ সেক্ষেত্রে খরচ হবে প্রায় চার কোটির কাছাকাছি৷ কিন্তু এই ক্যামেরা বসানোর পরও নিরাপত্তা কতটা বাড়বে তা নিয়ে সংশয়ে রেলের আধিকারিক থেকে যাত্রী প্রত্যেকেই৷ পাশাপাশি যাত্রীরা তাঁদের প্রাইভেসি নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন৷ যদিও রেলের তরফে জানানো হয়েছে, সিসিটিভিগুলো এমনভাবে বসানো যাত্রীদের প্রাইভেসিতে হস্তক্ষেপ করা হবে না৷