সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নতুন রেলপথ আনতে চলেছে ভারতীয় রেল। দেশজুড়ে চালু হচ্ছে এই পরিষেবা। প্রতি রাজ্যে ক’টি করে রেললাইন পাতা হবে, তাও ঠিক করে ফেলেছে রেল মন্ত্রক। রেল প্রতিমন্ত্রী রাজেন গোহাইন বৃহস্পতিবার লোকসভায় এই সংক্রান্ত তথ্য জমা দেন বলে জানা গিয়েছে।
রেলের কোনও প্রজেক্ট কার্যকরী করার জন্য রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের সম্মতির প্রয়োজন হয়। কারণ, রেললাইন পাততে গেলে বনদপ্তর-সহ বেশ কয়েকটি মন্ত্রকের সবুজ সংকেত লাগে। ফলে দুই সরকারের থেকে সম্মতি না পেলে কাজ শুরু করা যায় না। এক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হবে না। এবছর রেল বাজেটে এই সংক্রান্ত রিপোর্ট দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এটি বার্ষিক পরিকল্পনা। তাই এখনও পাকাপাকিভাবে কিছু জানানো হয়নি।
[ বাড়ির পিছনের গর্তে উদ্ধার একই পরিবারের ৪ জনের দেহ, কালাজাদুর আশঙ্কা পুলিশের ]
এখনও পর্যন্ত ঠিক হয়েছে দেশের প্রায় সবক’টি রাজ্যে বসবে রেললাইন। অসম ও উত্তর পূর্ব ভারতে ১৫টি, অন্ধ্রপ্রদেশে ১৮টি, বিহারে ৩৪টি, ছত্তিশগড়ে ৮টি, দিল্লিতে ১টি, গুজরাটে ৪টি, হরিয়ানায় ৭টি, হিমাচল প্রদেশে ৪টি, জম্মু ও কাশ্মীরে ১টি, ঝাড়খণ্ডে ১৪টি, কর্ণাটকে ১৬টি, কেরলে ২টি, মধ্যপ্রদেশে ৮টি, মহারাষ্ট্রে ১২টি, ওড়িশায় ১০টি, পঞ্জাবে ৬টি, রাজস্থানে ১০টি, তেলাঙ্গানায় ৯টি, তামিলনাড়ুতে ৮টি, উত্তরপ্রদেশে ১৫টি, উত্তরাখণ্ডে ৩টি এবং পশ্চিমবঙ্গে ১৮টি লাইন বসানো হবে বলে খবর।
স্বচ্ছ্ব ভারত মিশনের আওতায় গ্রিন করিডর ও রেলের বগিগুলিতে বায়ো-টয়লেট নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। গোহাইন জানিয়েছেন, ২০১৬-১৭ সালে দেশে ছ’টি গ্রিন করিডর তৈরি হয়ে গিয়েছে। ২০১৭-১৮-তে ২১টি করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়া বায়োটয়লেট নির্মাণের ফলে রেলের ট্র্যাক অপরিষ্কার হবে না। তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই প্রজেক্টগুলি কার্যকরী করার কথা চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। বুধবার একথা জানিয়েছেন রেল প্রতিমন্ত্রী রাজেন গোহাইন।
[ যৌন অক্ষমতার অভিযোগ স্ত্রীর, শ্বশুরকে সঙ্গমের ভিডিও পাঠিয়ে গ্রেপ্তার যুবক ]