Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
constitution club election

কনস্টিটিউশন ক্লাবের নির্বাচনে শেষ হাসি হাসলেন বিজেপি সাংসদ রুডি, বড় পদে তৃণমূলের প্রসূন

কার্যনির্বাহী সদস্য পদে জয়ী হয়েছেন তৃণমূল সাংসদ প্রসুন বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৩, ২০২৫, ০৯:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৩, ২০২৫, ০৯:১৭

options
link
কনস্টিটিউশন ক্লাবের নির্বাচনে শেষ হাসি হাসলেন বিজেপি সাংসদ রুডি, বড় পদে তৃণমূলের প্রসূন zoom
জয়ী প্রার্থী রাজীব রুডি।

নন্দিতা রায়, নয়াদিল্লি:  জিতল বিজেপি, হারলও বিজেপি। বিজেপি বনাম বিজেপির লড়াই আকর্ষণীয় করে তুলেছে রাজধানী দিল্লির অভিজাত কনস্টিটিউশন ক্লাবের নির্বাচনকে। একদিকে বিহারের বিজেপি সাংসদ রাজীবপ্রতাপ রুডি, অন্যদিকে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সঞ্জীব বালিয়ান। ক্লাবের সবচেয়ে শক্তিশালী পদ সচিব (প্রশাসন)-র জন্য লড়াইতে নেমেছিলেন গেরুয়া শিবিরের দুই নেতা। দীর্ঘ পঁচিশ বছর পরে জোরালো প্রতিদ্বন্দ্বিতার সাক্ষী হয়েছে সাংসদদের এই ক্লাব। মঙ্গলবার দিনের শেষ হাসি হাসলেন রুডি- ই। পাশাপাশি এই নির্বাচনে কার্যনির্বাহী সদস্য পদে জয়ী হয়েছেন তৃণমূল সাংসদ প্রসুন বন্দ্যোপাধ্যায়।

২০০০ সাল থেকে কনস্টিটিউশন ক্লাবের সচিব পদে রয়েছেন রুডি। অন্যদিকে রাজনৈতিক শিবিরে জল্পনা, বালিয়ানের পিছনে সমর্থন ছিল খোদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-র। তাই শাহ-কে টক্কর দিতে সমস্ত বিরোধীরা রুডি-কেই ভোট দিয়েছেন, একমাত্র আরজেডি ছাড়া। পাশাপাশি উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও রুডি-কেই সমর্থন করেছেন। এবারে হেভিওয়েট দুই বিজেপি নেতাই নিজেদের জয়ের লক্ষ্যে জোরকদমে প্রচার চালান। প্রায় তেরোশোর কাছাকাছি ভোটারদের মধ্যে এদিন ভোট পড়েছে সাতশোর উপরে। যার মধ্যে ব্যালটে সাড়ে ছশো-র বেশি, চল্লিশের কাছাকাছি ভোট পড়েছে পোস্টাল ব্যালটে। গভীর রাত পর্যন্ত ক্লাবের ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে টানটান উত্তেজনা ছিল রাজধানীর রাজনৈতিকমহলে। শেষ পর্যন্ত ৩৯২টি ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন রাজীবপ্রতাপ রুডি ও ২৯০ টি ভোট পেয়েছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সঞ্জীব বালিয়ান। অর্থাৎ নির্বাচনে রুডির জয়ের ব্যবধান ১০২ ভোট।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বিজেপি বনাম বিজেপির টানটান লড়াইয়ের এই আঁচ পৌঁছে গিয়েছিল সংসদ পর্যন্তও। এদিন সংসদের অধিবেশনের ফাঁকেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ, রাজ্যসভার নেতা তথা বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা-কে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিয়ে গিয়েছেন। আবার কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীও রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিতে আসেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী থেকে শুরু করে সাংসদ এমনকি প্রাক্তন সাংসদরাও এদিন ভোট দিয়ে গিয়েছেন। আড়াই দশকের মধ্যে এবারেই প্রথম রাজনীতির দিজ্ঞজ নেতারা ভোট দিতে এসেছিলেন। সবচেয়ে শক্তিশালী সচিব (প্রশাসন) পদের জন্য যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে সেকথা বলার অপেক্ষা রাখে না। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-সহ লালকৃষ্ণ আডবানী-র মত প্রাক্তন সাংসদরাও এই ক্লাবের সদস্য এবং ভোটার। সংসদের উভয় কক্ষের সাংসদরাই এই ক্লাবের সদস্য হতে পারেন।

সচিব (ক্রীড়া), সচিব (সংস্কৃতি) এবং কোষাধ্যক্ষ এই তিনটি পদের জন্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন রাজীব শুক্লা (সচিব ক্রীড়া), ত্রিচি শিবা (সচিব সংস্কৃতি) এবং জিতেন্দ্র রেড্ডি কোষাধ্যক্ষ পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। কার্যনির্বাহী সদস্যদের (১১) পদের জন্য ১৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সেই পদে জয়ী হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের লোকসভার সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ও। ক্লাবের পরিচালনা পরিষদের মেয়াদ পাঁচ বছর। লোকসভার স্পিকার কনস্টিটিউশন ক্লাবের পদাধিকার বলে সভাপতি। এর আগেও এমন টানটান লড়াই না হলেও ২০০৯ সালে রুডিই বিজেপি বনাম বিজেপির লড়াইতে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ততকালীন বিজেপি সাংসদ রামনাথ কোবিন্দকে পরাস্ত করেছিলেন।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.