সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মধুচক্র ফাঁস করতে পুলিশকে সাহায্য করল গণিকালয়ের ষোলো বছরের এক নাবালিকা। ঘটনাটি ঘটেছে হিমাচল প্রদেশের মানালিতে। তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই নাবালিকার মা তাকে জোর করে দেহব্যবসায় পাঠায়। মেয়েকে দেহব্যবসার কাজে বিক্রি করে দেওয়ার জন্য দালালের কাছ থেকে তার মা মাসে ৪০ হাজার টাকা আয় করত।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি ঘটে এক মাস আগে। দু’জন দালাল মেয়েটিকে নিয়ে মানালি যায়। তাকে জোর করে দেহব্যবসায় নামানো হয়। শনিবার সেই নাবালিকা ওই জায়গা থেকে নিজেকে মুক্ত করতে সক্ষম হয়। তাকে এক খদ্দেরের কাছে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু সে সেখানে যায়নি। সে সরাসরি একটি বেসরকারি হাসপাতালে চলে যায়। সেখানকার এক কর্মচারীকে ঘটনার কথা জানায়। তাকেই সাহায্যের কথা বলে। সেই কর্মচারী চাইল্ড হেল্পলাইন ১৯০৮-এ ফোন করে গোটা বিষয়টি জানায়। এরপর পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।
ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ (ধর্ষণ) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। সেই সঙ্গে পকসো আইনেও মামলা দায়ের করা হয়েছে। কুলুর পুলিশ সুপার শালিনী অগ্নিহোত্রী জানিয়েছেন, ওই নাবালিকা যা তথ্য দিয়েছে, তার উপর ভিত্তি করে এগিয়েছিলেন তাঁরা। তাতে সাফল্যও মিলেছে। মানালি থেকে প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। সে পাঞ্জাবের জরকপুরের বাসিন্দা। তাকে ৩ দিনের জন্য পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।
পুলিশের তরফে এও জানানো হয়েছে ওই নাবালিকার থেকে খবর পেয়ে বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করাও সম্ভব হয়েছে। তাদেরও মানালিতে দেহব্যবসায় নামানো হয়েছিল। পুলিশের অনুমান, এই মধুচক্রের সঙ্গে দিল্লির যোগাযোগ রয়েছে।