Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Nuclear sites destroyed

ইরানে পরমাণুঘাঁটি ধ্বংসে মৃত্যুদূত তেজষ্ক্রিয় বিকিরণ পৌঁছবে ভারতে, হিরোশিমার বিভীষিকা দেখবে দেশ?

তিনবার পারমাণবিক বিষক্রিয়ার ভয়াবহতা দেখেছে এই পৃথিবীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২৫, ১৪:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২৫, ১৪:৩৪

options
link
ইরানে পরমাণুঘাঁটি ধ্বংসে মৃত্যুদূত তেজষ্ক্রিয় বিকিরণ পৌঁছবে ভারতে, হিরোশিমার বিভীষিকা দেখবে দেশ? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইরানের পরমাণু ঘাঁটিতে বিধ্বংসী হামলা চালিয়ে বিজয়ী গোরিলার মত বুক বাজাতে শুরু করেছে আমেরিকা। এই ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত ইরানে তেজস্ক্রিয়তার খবর না পাওয়া গেলেও অতীত স্মরণ করে উদ্বিগ্ন গোটা বিশ্ব। ১৯৪৫ (হিরোশিমা, নাগাসাকি), ১৯৮৬ (চেরনোবিল) ও ২০১১ (ফুকুসিমা) ইতিহাসে তিনবার পারমাণবিক বিষক্রিয়ার ভয়াবহতা দেখেছে এই পৃথিবীর। দগদগে সেই ঘা উসকে দিয়ে ইরানের পরমাণু ঘাঁটিতে মার্কিন হামলা ভারত-সহ এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলির বিপদ বাড়াতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের দাবি অনুযায়ী, যুদ্ধের জেরে ইরানের পরমাণু কেন্দ্র যদি আক্রান্ত হয় তবে সেই তেজস্ক্রিয়তা শুধুমাত্র মধ্যপ্রাচ্যকে ধ্বংস করবে না। ভারতের বাতাস, জল ও মাটিকে বিষিয়ে তুলবে। যদি তেমনটা হয় সেক্ষেত্রে পশ্চিমা বাতাসের মাধ্যমে পারমাণবিক তেজস্ক্রিয়তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে গোটা পাকিস্তান, উত্তর ও পশ্চিম ভারতে। যার ফল হবে মারাত্মক। এই ঘটনায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হবে পাঞ্জাব ও হরিয়ানা। এই দুই রাজ্য ভারতের শস্য উৎপাদন ও খাদ্যের চাহিদা পূরণে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখে। পারমাণবিক দূষণের জেরে ধ্বংস হবে এই অঞ্চলের রবিশস্য। যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তার উপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে। রেহাই পাবে না দিল্লি। এমনিতেই বিষাক্ত বাতাসের জেরে নাজেহাল অবস্থা দেশের রাজধানী দিল্লির। তার সঙ্গেই এই অঞ্চলে যুক্ত হবে তেজস্ক্রিয় বাতাস। এর ফল হবে মারাত্মক।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পশ্চিমের রাজ্য রাজস্থানের জন্য চরম বিপদ ডেকে আনবে তেজস্ক্রিয় ধূলিকনা। রাজস্থানের শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে এই তেজস্ক্রিয় কণা মিশবে জলাধারগুলিতে। বছরের পর বছর ধরে তা প্রভাবিত করবে সেখানকার জনগণকে। রেহাই পাবে না গঙ্গা তীরবর্তী উত্তরপ্রদেশ, বিহারকে। এই বিষাক্ত বাতাস ও তেজস্ক্রিয় কণা এই অঞ্চলের পানীয় জল ও এখানকার প্রধান শস্য ধান, গম উৎপাদনকে প্রভাবিত করবে। শুধু তাই নয়, উত্তরে হিমালয় অঞ্চলে নদীগুলিতে ছড়িয়ে পড়বে এর তেজস্ক্রিয়তা। শুধু তাই নয়, পারমাণবিক দূষণের কবলে পড়বে হিমবাহগুলি। সবমিলিয়ে এই পারমাণবিক দূষণ ভারতের প্রাকৃতিক পরিবেশ তো বটেই, এর ভয়াবহতা দেশে তৈরি করতে পারে খাদ্যসংকট।

বিশেষজ্ঞদের দাবি অনুযায়ী, ভারতের শহরগুলি পৃথিবীর জনবসতিপূর্ণ শহরগুলির মধ্যে অন্যতম। দূষণের মাত্রাও বেশি, তার উপর পারমাণবিক বিষক্রিয়া সরাসরি প্রভাব ফেলবে ভারতের স্বাস্থ্যপরিষেবার উপর। তেজস্ক্রিয় বিকিরণ যত ছড়াবে বাড়বে ক্যানসার-সহ অন্যান্য রোগের ঝুঁকি। তাছাড়া ভারতের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। কৃষিক্ষেত্রে এর প্রভাব আর্থিক ও সামাজিকভাবে বিপদের মুখে ফেলে দেবে ভারতকে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.