Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

কুম্ভের পরই রাম মন্দিরের জন্য ঝাঁপাবে সাধুরা, বিজেপিকে হুঁশিয়ারি আখড়া পরিষদের

মন্দির নির্মাণে বিজেপির কোনও আগ্রহ নেই, জানালেন গিরি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০১৯, ২০:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০১৯, ২০:২১

options
link
কুম্ভের পরই রাম মন্দিরের জন্য ঝাঁপাবে সাধুরা, বিজেপিকে হুঁশিয়ারি আখড়া পরিষদের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ নিয়ে বিজেপি সরকারকে আক্রমণ করল আখড়া পরিষদ। আরএসএস-এর ভাইয়াজী জোশী ও শিবসেনার উদ্ভব ঠাকরের পর এই ইস্যু নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপিকে আক্রমণ করলেন আখড়া পরিষদের সভাপতি নরেন্দ্র গিরি। বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, নির্বাচনের আগে রাম মন্দিরকে ইস্যু করে ফায়দা তুলতে চায় বিজেপি। কিন্তু মন্দির নির্মাণে তাঁদের কোনও আগ্রহ নেই। তবে বিজেপি করুক বা না করুক, নির্বাচনের আগে রাম মন্দির ইস্যু বাঁচিয়ে রাখতে চায় আখড়া পরিষদ।  

[মোদির সমালোচনা করে জেল খাটছেন, মণিপুরের সাংবাদিককে চিঠি রাহুলের]

৫৫ দিন ধরে চলবে কুম্ভ।মেলা শেষ হলেই অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণে ঝাঁপাবে লক্ষ লক্ষ সাধু। মেলা প্রাঙ্গণ থেকে রবিবার এই ঘোষণা করলেন আখড়া পরিষদের প্রেসিডেন্ট নরেন্দ্র গিরি। বিজেপিকে কটাক্ষ করে জানালেন, রাম মন্দির গড়ার বিষয়ে ওদের কোনও ইচ্ছে নেই। কুম্ভমেলা শেষ হলেই রাম মন্দিরের জন্য নতুন আন্দোলন শুরু করবে আখড়া পরিষদ। শুধু নির্বাচনের আগে এই রাম মন্দিরকে ইস্যু বানাতে চায় বিজেপি। কিন্তু তাঁরা চান, অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ হোক। নরেন্দ্র গিরি বলেন, “কুম্ভের পরই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাধুরা রামজন্মভূমি অযোধ্যার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন।” জানা গিয়েছে, কিছু সাধু সরাসরি এই ইস্যু নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও এনডিএ সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করেছে। এদিকে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সাধারণ সচিব ভাইয়াজী জোশিও সম্প্রতি বিজেপি সরকারের সমালোচনা করেছেন। রাম মন্দির নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। জানান, ২০২৫ সালের মধ্যে যে করেই হোক মন্দির নির্মাণ করতেই হবে। বিজেপি সরকার মন্দির নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও আশ্বাসবাণী দিতে পারেনি। কয়েকদিন আগে মোদি কংগ্রেসের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার সময় জানান, বিরোধীদের জন্য মন্দির নির্মাণের কাজ পিছিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু মন্দির যে হবে, সেকথা কিন্তু বলেননি প্রধানমন্ত্রী। তারপরই মোদির উপর আস্থা হারাতে থাকে আখড়া পরিষদ ও সঙ্ঘ। সঙ্ঘের সাধারণ সচিবকে সরকারের ভূমিকা নিয়ে এদিন প্রশ্ন করা হয়। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, এসব প্রশ্ন সরকারকে গিয়ে জিজ্ঞাসা করুন।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ব্রিগেডেই প্রশস্ত বহিষ্কারের পথ, বড়সড় শাস্তির মুখে শত্রুঘ্ন]

এদিকে বিজেপির পাশে থেকে অনেকদিন আগেই সরে এসেছে শিব সেনা। মহারাষ্ট্রে একটি সভায় শিব সেনা প্রধান উদ্ভব ঠাকরে বলেন, “রাম মন্দিরের কথা উঠলেই কংগ্রেসের কথা তুলছে ওরা। যে লক্ষ্য নিয়ে বিজেপিকে ক্ষমতা এনেছিল দেশের মানুষ, তার থেকে অনেক দূরে এই বিজেপি। আমি তো কোনও রাম মন্দির দেখতে পাচ্ছি না।” কালো টাকা ফেরানোর ব্যাপারেও মানুষকে বোকা বানিয়েছে বিজেপি সরকার। এদিন সে নিয়েও কটাক্ষ করেন তিনি। জনসভায় বলেন, “প্রথমে তো দেশের প্রত্যেক মানুষের অ্যাকাউন্টে ১৫ লাখ টাকা করে ফেরানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, সেটা জুমলা ছিল। এবার রাম মন্দিরও।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.