সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্যারিডন সহ দুটি ওষুধের উপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল সুপ্রিম কোর্ট। আদালতে বিচার চলাকালীন খোলা বাজারে পাওয়া যাবে স্যারিডন ও আরও দুটি এফডিসি। গত ১৩ সেপ্টেম্বর স্যারিডন ও একাধিক পরিচিত পেইন কিলার সহ মোট ৩২৮টি ওষুধের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কেন্দ্র। সেই নিষেধাজ্ঞা স্যারিডন ও অন্য দুটি ওষুধের ক্ষেত্রে আর জারি রইল না। ওষুধ কোম্পানিগুলির দাবি ছিল, কেন্দ্র অযৌক্তিক কারণে ওষুধগুলির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। সংস্থাগুলির সেই দাবিতে অবশ্য এখনও স্বীকৃতি দেয়নি সর্বোচ্চ আদালত।
[ইসরোর মুকুটে নয়া পালক, PSLV চেপে পাড়ি ব্রিটিশ স্যাটেলাইটের]
২০১৬ সালের ১০ মার্চ স্বাস্থ্য ও পরিবার সুরক্ষা মন্ত্রক ৩৪৪টি এফডিসি বন্ধ করার নির্দেশ জারি করে। ২৬এ ধারায় ৩৪৪টি এফডিসি-র উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। পরে আরও পাঁচটি ড্রাগ ওই তালিকাভুক্ত করা হয়। কিন্তু ২০১৭ সালের ১৫ ডিসেম্বর দেশের সর্বোচ্চ আদালতে এর বিরোধিতা করে ওষুধ কোম্পানিগুলি। সুপ্রিম কোর্ট জানায়, এর মধ্যে এমন কয়েকটি ড্রাগ আছে যা ১৯৮৮ সাল থেকে তৈরি হচ্ছে। এছাড়া বছরে এগুলি ৭৪০ কোটি টাকার ব্যবসা দেয়। ভাল করে পর্যবেক্ষণ না করে এগুলি বন্ধ করে দেওয়া অর্থহীন। এরপরই ড্রাগ টেকনিক্যাল অ্যাডভাইসরি বোর্ডকে ড্রাগগুলি পরীক্ষা করতে নির্দেশ দেয় আদালত। পরীক্ষার পর আদালতের কাছে রিপোর্ট পেশ করে তারা। সেখানে জানানো হয়, এই ৩২৮টি এফডিসি মানুষের বিপদ ডেকে আনতে পারে। তারা এই ড্রাগগুলি বন্ধের সুপারিশও দেয়। এই মামলায় আরও ছ’টি এফডিসি তৈরির উপর সীমাবদ্ধতাও জারি করা হয়। এর মধ্যে ছিল বিভিন্ন পেইনকিলার, কাফ সিরাপ, সর্দির ওষুধ ইত্যাদি।
[সিবিএসই টপার গণধর্ষণে গ্রেপ্তার মূল অভিযুক্ত, অধরা বাকি দুই]
কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় সংস্থাগুলি। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে কেন্দ্রের কাছে জবাব তলব করেছে সর্বোচ্চ আদালত। বিচার প্রক্রিয়া চলাকালীন স্যারিডন-সহ আরও দুটি ওষুধের উপর নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে তুলে নেওয়া হল।