সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গণপিটুনি যেন ক্রনিক অসুখে পরিণত হচ্ছে। সাম্প্রতিক অতীতে একের পর এক রাজ্যে গণপ্রহারে মৃত্যু ঘটেছে। পুলিশ ও প্রশাসন কার্যত অসহায় হয়ে থেকেছে ঘটনাগুলিতে। কারণ প্রতিবারই নেপথ্যে থেকেছে কোনও না কোনও গুজব। আর পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে আবার কখনও পুলিশের সামনেই উত্তেজিত জনতা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। এই বিপজ্জনক প্রবণতা রুখতেই এবার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারদের চার সপ্তাহ বা একমাস সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। এর মধ্যে যে কোনওভাবে গণপ্রহারে মৃত্যু আটকাতে সদর্থক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
[ ঠিকাদারি সংস্থার অফিস থেকে উদ্ধার ১৬০ কোটি টাকা ও ১০০ কিলো সোনা ]
জনতার এই উত্তেজিত হয়ে ওঠা এবং তার জেরে কারও মৃত্যু ঘটানো কখনও গণতন্ত্রের অংশ হতে পারে না। পর্যবেক্ষণ শীর্ষ আদালতের। এদিন রাজ্যগুলিকে এ ব্যাপারে বেশি সতর্ক করে সুপ্রিম কোর্ট। বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা রাজ্যগুলির দায়িত্ব। তা বজায় থাকলে তবেই দেশে সুস্থিতি বজায় থাকে। ফলে গণপ্রহার রুখতে রাজ্যগুলি যেন সচেষ্ট হয়। পাশাপাশি কেন্দ্রকে এ ব্যাপারে আইন আনারও প্রস্তাব দেয় আদালত। সুপ্রিম কোর্ট সংসদ বা সরকারকে আইন প্রণয়নের নির্দেশ দিতে পারে না, তবে প্রস্তাব রাখতে পারে। এদিন তাই-ই করা হয়েছে।
[ সোনিয়া বিদেশি বলেই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্য নন রাহুল, তোপ বিএসপি-র ]
গণপ্রহারে মৃত্যু সংক্রান্ত একাধিক আবেদন জমা পড়েছে আদালতে। সেখানে আছে গরু পাচারকারী সন্দেহে হত্যার ঘটনাও। এর সঙ্গে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় যোগও স্পষ্ট। কৌশলে এই বিষয়টি তুলে আদালত জানিয়েছে, কোনও ব্যক্তিই আইনের উর্ধ্বে নয়। কেউ নিজের হাতে আইন তুলে নিতে পারে না। রাজ্যগুলিকেই এই ধর্মনিরপেক্ষ আবহ বজায় রাখতে হবে। গণতান্ত্রিকতা জারি রাখতে হবে রাজ্য তথা দেশে। দেশের সংবিধানকে যেন রাজ্যগুলি রক্ষা করে এদিন সে বিষয়ে বারবার উল্লেখ করে শীর্ষ আদালত।
[ স্নান করছেন বন্ধুর মা, বাথরুমে উঁকি দিয়ে কী হাল হল যুবকের? ]