সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এদিক-ওদিকে ছত্রাকের মতো গজিয়ে ওঠে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ওরফে এনজিও৷ স্বেচ্ছায় মানুষের সেবার দায় মাথায় নিয়ে থাকে হামেশা৷ এর জন্য মেলে অনুদানও৷ এমন মানুষের অভাব নেই যাঁরা স্ব-ইচ্ছায় দান করতে কার্পণ্য বোধ করেন না৷ কিন্তু এই দান কি হামেশা অসহায় মানুষের কাজে লাগে? স্বেচ্ছায় সেবার আড়ালে জালিয়াতি কি হয় না? এনজিওর আড়ালে কি শিশুপাচার চক্রের হদিশ মেলেনি? স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নামে এমন দুর্নীতি রুখতেই কেন্দ্র সরকারকে নির্দিষ্ট আইন প্রণয়নের পরামর্শ দিল সুপ্রিম কোর্ট৷
[উরির কায়দায় এবার কুপওয়াড়ায় জঙ্গি হামলা, শহিদ ৩ জওয়ান]
বুধবার প্রধান বিচারপতি জে এস খেহরের নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চ এই পরামর্শ দেয়৷ যাতে বলা হয়, আইনের মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার তহবিলগুলি নিয়ন্ত্রণ করা উচিত কেন্দ্রের৷ যদি দেখা যায় সাধারণ মানুষের টাকা নিয়ে জালিয়াতি বা অপরাধমূলক কাজ করা হচ্ছে তাহলে শাস্তির বিধানও থাকা উচিত৷ এই বিষয়ে সরকারের কী মত, তা জানাতে আট সপ্তাহের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে৷
[১৬ মাসের শিশুকে যৌন নির্যাতন! প্রাণ বাঁচাতে গোপনাঙ্গে করতে হল সেলাই]
এর আগে অবশ্য এ বিষয়ে কিছু নির্দেশিকা কেন্দ্রের তরফে শীর্ষ আদালতে পেশ করা হয়েছিল৷ যাতে নীতি আয়োগকে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলির নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা পালনের সুপারিশ করা হয়েছিল৷ কিন্তু কেন্দ্রের এই নির্দেশিকাগুলিতে সন্তুষ্ট নয় সর্বোচ্চ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ৷ নীতি আয়োগ ইতিমধ্যেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে বলে জানিয়ে দিয়েছে শীর্ষ আদালত৷ বিচারপতিদের সবচেয়ে বেশি চিন্তা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলিতে আসা বিদেশি অনুদান৷ দেখা গিয়েছে, বিদেশ থেকে আসা অনুদানের অর্থই বেশি তছরুপ হয়ে থাকে৷ এতে দেশের ভাবমূর্তিও নষ্ট হয়ে থাকে৷ এমন দুর্নীতি রুখতেই নির্দিষ্ট আইন প্রণয়নের পরামর্শ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ৷
[‘বাহুবলী: দ্য কনক্ল্যুশন’-এর মুক্তির পর কী করতে চলেছেন প্রভাস?]