Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Sensex

রক্তক্ষরণ সামলে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন, বাজার খুলতেই হাজার পয়েন্ট উত্থান সেনসেক্সের

সোমবার একধাক্কায় প্রায় ৪ হাজার পয়েন্ট পড়ে গিয়েছিল সেনসেক্স।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৮, ২০২৫, ১০:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৮, ২০২৫, ১০:১৮

options
link
রক্তক্ষরণ সামলে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন, বাজার খুলতেই হাজার পয়েন্ট উত্থান সেনসেক্সের zoom
প্রতীকী ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একদিনের মধ্যেই ঘুরে দাঁড়াল ভারতের শেয়ার বাজার। সোমবার একধাক্কায় প্রায় ৪ হাজার পয়েন্ট পড়ে গিয়েছিল সেনসেক্স। কিন্তু পরের দিনই রক্তক্ষরণ থেকে সেরে ওঠার পথে এগিয়ে গেল শেয়ার বাজার। মঙ্গলবার বাজার খোলার পরেই হাজার পয়েন্ট উত্থান হল সূচকে। উন্নতি নিফটিতেও। বেলা বাড়ার সঙ্গে বাড়ছে সেনসেক্সও। ৭৪ হাজারের গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছে সূচক। 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক-বাণ আছড়ে পড়ার পরে অন্যান্য দেশের মতোই ধস নেমেছিল ভারতের শেয়ার বাজারে। সোমবার দিনের শেষে দেখা যায়, ২.৯৫ শতাংশ পড়েছে সেনসেক্স। এমনকি দুপুরের দিকে প্রায় চার হাজার পয়েন্ট পড়ে গিয়েছিল সূচক। তবে সোমবারের রক্তক্ষরণ হলেও পরের দিন থেকে ঘুরে দাঁড়াল বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ। বাজার খুলতেই একলাফে হাজার পয়েন্ট বেড়ে সেনসেক্স পৌঁছে গেল ৭৪ হাজারের ঘরে। স্বমহিমায় ফিরেছে নিফটিও। ২২ হাজার ৫০০ পেরিয়ে গিয়েছে নিফটির সূচক। সোমবার যে সংস্থাগুলির বিপুল ক্ষতি হয়েছিল, ‘কামব্যাক’ করতে পেরেছে তাদের অনেকেই।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কেবল ভারত নয়, এশিয়ার বহু দেশের বাজারেই উন্নতি হয়েছে মঙ্গলবার। জাপানের নিক্কেই সূচক ৫ শতাংশ বেড়েছে। ১ শতাংশ উন্নতি হয়েছে অস্ট্রেলিয়া এবং হংকংয়ের বাজারে। দক্ষিণ কোরিয়াও উন্নতি করেছে শেয়ার বাজারে। তবে ট্রাম্প ফের শুল্ক বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ায় চিনের বাজার আজও নিম্নমুখী। রক্তক্ষরণ থেকে সেরে উঠতে পারেনি তাইওয়ানও।

উল্লেখ্য, সোমবার শেয়ার বাজারের ব্যাপক পতনে জেরে মুকেশ আম্বানি, গৌতম আদানি, সাবিত্রী জিন্দাল ও শিব নাদার, এই চার শিল্পপতি বাজারের পতনে যৌথভাবে খুইয়েছেন ১০ বিলিয়ন ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ৮৬ হাজার কোটি টাকা। শুধু শিল্পপতিদের নয়, সাধারণ মানুষেরও ব্যাপক আর্থিক রক্তক্ষরণ ঘটেছে। ট্রেন্ট, টাটা স্টিল, টাটা মোটরস, জেএসডব্লিউ স্টিল, শ্রীরাম ফিনান্স- একের পর এক সংস্থার শেয়ারের দাম হুহু করে পড়ছে। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে গোটা বিশ্বের বাজার চরম অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফলে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এখনও কোনও রকম ঝুঁকি না নিয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হবে অপেক্ষা করা ও নজর রাখা।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.