Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
সুপ্রিম কোর্ট

শ্লীলতাহানির মামলায় খারিজ তরুণ তেজপালের আবেদন, ৬ মাসের মধ্যে শুনানির সুপ্রিম নির্দেশ

সহকর্মীর শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ রয়েছে তেহেলকার প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০১৯, ১২:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০১৯, ১২:১৩

options
link
শ্লীলতাহানির মামলায় খারিজ তরুণ তেজপালের আবেদন, ৬ মাসের মধ্যে শুনানির সুপ্রিম নির্দেশ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গোয়ার আদালতে চলা শ্লীলতাহানির মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন। তার মধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ খারিজ করার অনুরোধও ছিল। কিন্তু, তেহলকা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা তরুণ তেজপালের সেই আবেদনকে মান্যতা দিল না সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার, আদালত খোলার পরেই মামলাটি ওঠে বিচারপতি অরুণ মিশ্রের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চে। উভয়পক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য শোনার পরই তরুণের আবেদনটি পত্রপাঠ খারিজ করে দেন বিচারপতিরা। পাশাপাশি গোয়ার নিন্ম আদালত, যেখান এই মামলাটি চলছে সেটির শুনানি আগামী ছ’মাসের মধ্যে শেষ করার নির্দেশও দেন।

[আরও পড়ুন: দুধের দাম চেয়ে আরপিএফের হাতে গুলিবিদ্ধ, ঝাড়খণ্ডে গর্ভবতী মেয়ে-সহ মৃত দম্পতি]

২০১৩ সালে গোয়ায় একটি পাঁচতারা হোটেলের লিফটের ভিতরে তেজপাল শ্লীলতাহানি করেছেন বলে অভিযোগ করেছিলেন তাঁর এক অধস্তন কর্মী। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয় গোটা দেশে। ওই বছরের ৩০ নভেম্বর আগাম জামিনের আবেদন বাতিল হতেই তেজপালকে গ্রেপ্তার করেন ক্রাইম ব্রাঞ্চের আধিকারিকরা। যদিও ২০১৪ সালের মে মাস থেকে জামিনে মুক্ত রয়েছেন তেহেলকা প্রতিষ্ঠাতা। এর মাঝে গোয়ার আদালত তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করার পরে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানান তেজপাল। তাঁর বিরুদ্ধে আনা ধর্ষণ ও অন্যায়ভাবে আটকে রাখার অভিযোগ খারিজ করার জন্যই এই আবেদন করেছিলেন।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

গত ৬ তারিখ এই আবেদনের শুনানিতে তেজপালের আইনজীবী বিকাশ সিং হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজের কথা উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, ওই হোটেলের লবিতে তেজপালের পিছনে দৌড়তে শুরু করেছিলেন অভিযোগকারিণী সাংবাদিকই। লিফটের ভিতরেও তিনি অনৈতিক আচরণ শুরু করেছিলেন। এর মধ্যে তাঁর মক্কেলের কোনও দোষ নেই।

[আরও পড়ুন: অযোধ্যার বিতর্কিত জমিতে রাম মন্দিরই হোক, চাইছেন বাবরের বংশধর]

এর প্রেক্ষিতে বিচারপতি অরুণ মিশ্র তেজপালকে প্রশ্ন করেন, ‘ধর্ষণের অভিযোগ যদি মিথ্যেই হয় তাহলে ঠিক কী কারণে অভিযোগকারিণীর কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন তরুণ তেজপাল? যদি কিছুই ঘটে না থাকে, তাহলে আপনি ক্ষমা চাইতেন না। অর্থাৎ অনৈতিক কিছু নিশ্চয় ঘটেছিল।’

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.