Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Sharad Pawar

মিশে যাচ্ছে দুই এনসিপি! মেয়ের ভবিষ্যৎ ভেবে ‘ভাইপো’র দ্বারস্থ হবেন শরদ পওয়ার?

বিধানসভায় ভরাডুবির পর শরদ পওয়ার শিবিরের নেতারা উদ্বিগ্ন, দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৬, ২০২৫, ১৬:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৬, ২০২৫, ১৬:২৪

options
link
মিশে যাচ্ছে দুই এনসিপি! মেয়ের ভবিষ্যৎ ভেবে ‘ভাইপো’র দ্বারস্থ হবেন শরদ পওয়ার? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহারাষ্ট্র রাজনীতিতে ফের অজিত পওয়ার এবং শরদ পওয়ারের দুই এনসিপি শিবিরের মিশে যাওয়া নিয়ে জল্পনা। শোনা যাচ্ছে, বিধানসভায় ভরাডুবির পর শরদ পওয়ার শিবিরের নেতারা উদ্বিগ্ন, দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত। সিনিয়র পওয়ার নিজেও চিন্তিত মেয়ে সুপ্রিয়া সুলের ভবিষ্যৎ নিয়ে। শোনা যাচ্ছে, ভবিষ্যতের কথা ভেবেই ভাইপো অজিত পওয়ারের সঙ্গে নিজের দলকে মিলিয়ে দিতে পারেন শরদ। যদিও সবটাই সূত্রের দাবি। অজিত বা শরদ কোনও শিবিরই এখনও সরকারিভাবে এই সম্ভাবনার সত্যতা স্বীকার করেনি।

বৃহস্পতিবার দলের সর্বস্তরের নেতাদের নিয়ে একটি বৈঠক করেছেন শরদ শিবিরের রাজ্য সভাপতি জয়ন্ত পাটিল ও শীর্ষ নেতা জীতেন্ত্র আওয়াদ। সেই বৈঠকেই অজিত শিবিরের সঙ্গে দলের সংযুক্তিকরণ নিয়ে আলোচনা হয়। শোনা যাচ্ছে, শরদের দলের অধিকাংশ নেতাই চাইছেন অজিতের সঙ্গে মিশে যেতে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার দেওয়া হয়েছে শরদকেই। সমস্যা হল, মারাঠা স্ট্রংম্যান এ নিয়ে নীরব। তবে শোনা যাচ্ছে, মেয়ে সুপ্রিয়া সুলের ভবিষ্যতের কথা ভেবে ভাইপোর সঙ্গে সমঝোতায় রাজি হয়ে যেতে পারেন তিনি। কারণ শরদ ভালোই জানেন, তাঁর অবর্তমানে সুপ্রিয়া সুলে নিজেকে স্বতন্ত্র নেতা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। 

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

যদিও সরকারিভাবে সুপ্রিয়া সুলে এবং অজিত পওয়ার দুজনেই সংযুক্তিকরণের খবর অস্বীকার করেছেন। সুপ্রিয়ার দাবি, এই ধরনের কোনও প্রস্তাব এখনও নেই। যদি তেমন কোনও সিদ্ধান্ত নিতে হয় সেটা শরদ পওয়ার নেবেন। অজিত পওয়ারও একই কথা বলছেন। তাঁর বক্তব্য, “সুপ্রিয়ার আর আমার কথা একই। এই ধরনের কোনও প্রস্তাব নেই। তাই এই জল্পনা মেনে নেওয়ার বা প্রত্যাখ্যান করার, কোনওটারই কোনও কারণ নেই। আমি আমার আদর্শে অবিচল থাকব।”

ইতিহাস বলছে, ২০১৯-এর বিধানসভা ভোটের পরে অজিত ‘বিদ্রোহী’ হয়েছিলেন। তাঁর সমর্থন পেয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছিলেন বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়ণবিস। অজিত হন উপমুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু এনসিপি পরিষদীয় দলে ভাঙন ধরাতে ব্যর্থ হয়ে ইস্তফা দিতে হয় তাঁদের দু’জনকে। এর পর অজিত আবার শরদের শিবিরে আশ্রয় নেন। তাঁকে শিব সেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বাধীন মহাবিকাশ আঘাড়ি জোট সরকারের উপমুখ্যমন্ত্রী করেছিলেন শরদ। কিন্তু ২০২২-এর জুন মাসে একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বে শিব সেনায় ভাঙন ধরলে মহাবিকাশ আঘাড়ি সরকারের পতন ঘটে। বিজেপির সমর্থনে মুখ্যমন্ত্রী হন শিন্ডে। এর পর ২০২৩ সালের ২ জুলাই শরদের সঙ্গ ছেড়ে অধিকাংশ এনসিপি বিধায়ককে নিয়ে বিদ্রোহী হয়েছিলেন অজিত। শিন্ডের নেতৃত্বাধীন ‘মহাজুটি’ সরকারের উপমুখ্যমন্ত্রীও হন। মহারাষ্ট্রের বর্তমান সরকারেও তিনি উপমুখ্যমন্ত্রী। গত বিধানসভা নির্বাচনে অভাবনীয় ভালো ফল করে তাঁর দল। অন্যদিকে শরদের দল কার্যত নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। তারপর থেকেই কোণঠাসা সিনিয়র পওয়ার।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.