সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রকাশ্যে সংবাদমাধ্যমের গুরুত্ব স্বীকার করলেন করলেন উদ্ধব ঠাকরে। তিনি বললেন, গণতন্ত্রে সংবাদমাধ্যমের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই দেশের বিচারবিভাগকেও সংবাদমাধ্যমের দারস্থ হতে হয়। শনিবার মুম্বইয়ের সংবাদপত্র ও সংবাদপত্র বিক্রেতাদের সংগঠন আয়োজিত সম্মেলনে একথা বলেন শিব সেনার সভাপতি।
[গুরুগ্রামে চলন্ত বাসে ইটবৃষ্টি কর্ণি সেনার, প্রকাশ্যে এল ভয়াবহ সিসিটিভি ফুটেজ ]
উল্লেখ্য, প্রকারান্তরে গণতান্ত্রিক ভারতে চতুর্থ স্তম্ভ সংবাদমাধ্যমের গুরুত্বকে স্বীকার করে নেন উদ্ধব। আলোচনা প্রসঙ্গে সুপ্রিমকোর্টের নামকরা বিচারপতিদের নিয়ে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনের কথাও বলেন। সম্মেলনে আয়োজকের ভূমিকায় ছিলেন দেশের শীর্ষ আদালতের চার নামি বিচারপতি। যেখানে বিচার সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের মতামত দেন ওই চার বিচারপতি। সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা করেন। এই প্রসঙ্গেই শিব সেনা সভাপতি জানান, বিচার বিভাগের হাতেই থাকে ন্যায়ের মানদণ্ড। দেশের শীর্ষ আদালতের সিদ্ধান্তের উপরেই অনেকের ভাগ্য নির্ভর করে। এসব ক্ষেত্রে বিচারপতিদের বড় ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু নিজেদের সিদ্ধান্ত জানাতে কোনও একটা সময় গণমাধ্যমের কাছেই আসতে হয় বিচারপতিদের।
শিবসেনার মুখপত্র দৈনিক সামনার সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন উদ্ধব ঠাকরে। বক্তব্যের অনুষঙ্গ থেকেই তিনি সংবাদপত্র বিক্রেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানান। বলেন, সংবাদপত্রের বিক্রি বাড়াতে বিক্রেতাদের একটা ভূমিকা রয়েছে। এই বিক্রির সূত্রে যেমন প্রচার বাড়ে। তেমনই জনপ্রিয়তাও বাড়ে। নতুন নতুন বিজ্ঞাপনের হাত ধরে নতুন নতুন সাপ্লি তৈরি করে সংবাদপত্রগুলি। তাতে বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত আয়ও বেড়ে যায়। এসবক্ষেত্রে বৃদ্ধি পাওয়া আয়ের একটা ন্যূনতম শতাংশ সংবাদপত্র বিক্রেতাদেরও প্রাপ্য হওয়া উচিত।
বক্তৃতা প্রসঙ্গে আসে মারমিক-এর (শিবসেনার সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন) কথা। সেই মারমিক যার প্রতিষ্ঠাতা শিব সেনা প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত বাল ঠাকরে। মহারাষ্ট্রে শিব সেনার অবস্থান ও দলীয় রীতিনীতির আভাস পাওয়া যায় সামনা’য় ও মারমিক-এ। দুই সংবাদ মাধ্যমেরই যথেষ্ট জনপ্রিয়তা রয়েছে মহারাষ্ট্রে।
বর্তমান পরিসরে নানাভাবে নানা জনের হাতে আক্রান্ত হচ্ছে সংবাদমাধ্যম। আক্রমণকারীর তালিকায় প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব যেমন আছে। তেমনই দুষ্কৃতীও কম নেই। খবর করতে প্রায়শই পুলিশের প্রহারের শিকার হচ্ছেন সাংবাদিকরা। সেখানে সংবাদমাধ্যম প্রসঙ্গে উদ্ধব ঠাকরের বক্তব্য নিঃসন্দেহে তাৎপর্যবাহী।