Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
Karnataka

নমাজের সময় কেন বাজছে হনুমান চল্লিশা? কর্নাটকে ব্যবসায়ীকে বেধড়ক মার

ঘটনায় নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধেও।  

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৮, ২০২৪, ১৪:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৮, ২০২৪, ১৪:০১

options
link
নমাজের সময় কেন বাজছে হনুমান চল্লিশা? কর্নাটকে ব্যবসায়ীকে বেধড়ক মার zoom
প্রতীকী ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সন্ধ্যাবেলা একদিকে চলছিল রমজানের নমাজ পড়া। সেই সময়ই দোকানে হনুমান চল্লিশা চালিয়েছিলেন এক ব্যবসায়ী। কেন নমাজের সময় ধর্মীয় গান চলছে, এনিয়ে তাঁর সঙ্গে বচসায় জড়ায় একদল যুবক। বিবাদ এমন জায়গায় পৌঁছয় যে ওই ব্যবসায়ীকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠেছে যুবকদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বেঙ্গালুরুর জামা মসজিদ রোড এলাকায়। এই ঘটনায় নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধেও।  

জানা গিয়েছে, আক্রান্ত ব্যবসায়ীর নাম মুকেশ। তাঁর একটি মোবাইলের দোকান রয়েছে। রবিবার সন্ধ্যেবেলা তিনি দোকানে হনুমান চল্লিশা চালিয়েছিলেন। অভিযোগ সেই সময় ৬ জন যুবক এসে তাঁকে জিজ্ঞাসা করে নমাজ পড়ার সময় কেন তিনি ধর্মীয় গান চালিয়েছেন? প্রথমে ওই যুবকদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় মুকেশের। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যে তা বড় আকার ধারণ করে। মুকেশকে মারধর করে স্পিকারের সঙ্গে তাঁর মাথা ঠুকে দেয় ওই যুবকরা। ঘটনায় গুরুতর আহত হন তিনি। স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন ওই যুবকরা মুসলিম সম্প্রদায়ের। এই ঘটনা নিয়ে মুকেশের অভিযোগ, “গত দুমাস ধরে এই যুবকরাই তাঁকে ক্রমাগত হেনস্তা করছে। ভয় দেখিয়ে তাঁর থেকে টাকা নেওয়ারও চেষ্টা করেছিল তারা।” 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: বিজেপির টিকিটে লড়বেন! লোকসভা নির্বাচনের আগে ইস্তফা তেলেঙ্গানার রাজ্যপালের]

তবে এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুকেশ, এলাকার লোকজন, ও সেখানকার অন্যান্য দোকানদাররা। অভিযোগ, এদিনের ঘটনার পরই ওই যুবকদের বিরুদ্ধে হালাসুরু গেট থানায় অভিযোগ জানাতে যান সকলে। কিন্তু প্রথমে পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তাঁদের অভিযোগ নিতে চায়নি। যার জেরে সকলে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। এবং থানার সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন, অপরাধীদের দ্রুত উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানাতে থাকেন তাঁরা। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীদের নিয়ন্ত্রণ করতে থানার বাইরে পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা। এর পর চাপের মুখে পড়ে পুলিশ তাঁদের অভিযোগ গ্রহণ করতে বাধ্য হয়। এবং শেষমেশ ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয় বলে খবর। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.