Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Karnataka

৫ বছর মুখ্যমন্ত্রী থাকার ঘোষণা সিদ্দার, “পাশে থাকা ছাড়া কীই বা করতে পারি”, আক্ষেপ শিবকুমারের

পরিস্থিতি সামাল দিতে মাঠে নেমেছে কংগ্রেস হাইকমান্ড।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২, ২০২৫, ১৫:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২, ২০২৫, ১৫:২৭

options
link
৫ বছর মুখ্যমন্ত্রী থাকার ঘোষণা সিদ্দার, “পাশে থাকা ছাড়া কীই বা করতে পারি”, আক্ষেপ শিবকুমারের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল: কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়ে নাটক শেষ হয়েও হচ্ছে না! বুধবার সিদ্দারামাইয়া জানিয়ে দিলেন, “আগামী পাঁচ বছর আমিই কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকব।” এর খানিক বাদে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে উপমুখ্যমন্ত্রী শিবকুমার আক্ষেপের সুরে বললেন, “আমার কী বা করার আছে? ওঁর (সিদ্দারামাইয়ার) পাশে দাঁড়াব এবং সমর্থন করব।” অর্থাৎ কিনা হাইকমান্ডের কথা মেনে নিলেও প্রকৃত প্রস্তাব দাক্ষিণাত্যের রাজ্যে কংগ্রেসের বিবাদ মিটছে না। ছাই চাপা আগুন যে কোনও দিন গনগনে আঁচ হয়ে উঠতে পারে।

এদিন ফের মুখ্যমন্ত্রীর বদল নিয়ে জল্পনায় জল ঢালেন সিদ্দারামাইয়া। আত্মবিশ্বাসী প্রবীণ রাজনীতিবিদ বলেন, “হ্যাঁ, আমিই আগামী পাঁচ বছর মুখ্যমন্ত্রী থাকব। আপনাদের মনে কোনও সন্দেহ আছে?” এর খানিক বাদেই সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে প্রতিপক্ষ শিবকুমার বলেন, “আমার কী বা করার আছে? ওঁর (সিদ্দারামাইয়ার) পাশে দাঁড়াব এবং সমর্থন করব। হাইকমান্ড যা বলেছে আমাকে সেটাই করতে হবে।” কর্নাটকের বর্তমান উপমুখ্যমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যে শঙ্কিত রাজ্য কংগ্রেসের নেতাদের একাংশ। তাঁদের মতে, শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে সাময়িকভাবে ঝামেলা মিটলেও অচিরেই ফের দেখা দিতে পারে ‘কর্নাটক বিবাদ’।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

২০২৩ সালে বিজেপিকে উৎখাত করে কর্নাটকে ক্ষমতায় এসেছিল কংগ্রেস। এর পর থেকেই দলীয় কোন্দলে নাজেহাল অবস্থা হাত শিবিরের। মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার হিসেবে সিদ্দারামাইয়ার পাশাপাশি উঠে আসেন ডিকে শিবকুমার। শেষ পর্যন্ত সিদ্দারামাইয়াকে শাসনভার দেওয়া হলেও এত সহজে দ্বন্দ্ব মেটেনি। সরকারের অন্দরে সংঘাতপর্ব উত্তরোত্তর বাড়তে থাকে। এর সঙ্গেই গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো সামনে আসে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ। বিরাট জমি দুর্নীতির অভিযোগে নাম জড়ায় খোদ মুখ্যমন্ত্রীর। এই পরিস্থিতিতে সিদ্দারামাইয়ার হাত থেকে ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে শিবকুমারের হাতে ক্ষমতা দেওয়ার দাবি ওঠে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মাঠে নামে কংগ্রেস হাইকমান্ড।

সোমবার কংগ্রেসের দুই নেতার সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেন দিল্লি কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা। এরপর কংগ্রেস হাই কম্যান্ডের তরফে বেঙ্গালুরুতে পাঠানো হয় রণদীপ সুরজেওয়ালাকে। বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকের পর সুরজেওয়ালা জানিয়ে দেন, “এখনই মুখ্যমন্ত্রী বদল হবে না কন্নড় রাজ্যে। এই ধরনের কোনও পরিকল্পনা দলের হাই কম্যান্ডের নেই।” এরপর শিবকুমার নিজেই মুখ খুলে যাবতীয় জল্পনা উড়িয়ে দেন। তিনি বলেন, “কংগ্রেসে সবার আগে শৃঙ্খলা। দলীয় শৃঙ্খলা মেনে আমি আপাতত মুখ্যমন্ত্রীর কুরসি চাইছি না। আমার এখন একমাত্র লক্ষ্য হল ২০২৮ সালে দলকে ক্ষমতায় আনা।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.