সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০১৪ সালে থেকে পাক রাষ্ট্রদূত হিসেবে ভারতে কার্যভার সামলানোর পর পদ থেকে সরানো হল আবদুল বসিতকে। তাঁর জায়গায় নিযুক্ত করা হয়েছে সোহেল মাহমুদকে। এর আগে তিনি তুরস্কে নিযুক্ত পাক রাষ্ট্রদূতের পদ সামলেছেন। থাইল্যান্ডের পাক রাষ্ট্রদূত হিসেবেও কার্যরত ছিলেন। আঙ্কারায় পাক দূতাবাসের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পাকিস্তানি ফরেন সার্ভিসের প্রবীণতম কূটনীতিবিদদের মধ্যে একজন হচ্ছেন সোহেল মাহমুদ।
[ফ্রান্সের নয়া প্রেসিডেন্ট মাকরোঁকে অভিনন্দন ট্রাম্পের]
পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত হিসেবে সোহেল মাহমুদের প্রথম কার্যকাল শুরু হয় তুরস্ক থেকে। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৪ পর্যন্ত তিনি তুরস্কে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত পদে নিযুক্ত ছিলেন। এছাড়াও তিনি আমেরিকা-সহ বেশ কয়েকটি দেশে রাষ্ট্রদূত হিসেবে কার্যভার সামলেছেন। ইতিহাস ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে স্নাতকোত্তর মাহমুদ। তবে এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ইসলামাবাদের ভারত নীতি নির্ধারণে জড়িত ছিলেন না তিনি।
[২ জওয়ানের মুণ্ডচ্ছেদের ‘বদলা’, সীমান্তে পাক বাঙ্কার গুঁড়িয়ে দিল ভারত]
জানা গিয়েছে, ভারতে প্রায় তিন বছর ধরে পাক রাষ্ট্রদূতের পদ সামলানোর পর আবদুল বসিতকে ইসলামাবাদের ‘ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমি’-র প্রধান হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। কুলভূষণ যাদবকে নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্ক ইতিমধ্যে তলানিতে ঠেকেছে। এমনই পরিস্থিতিতে মাহমুদের সামনে যে বেশ কঠিন কাজ রয়েছে, তা স্পষ্ট।
[ফ্রি Wi-Fi ব্যবহার করতে গিয়ে নিজের বিপদ ডেকে আনছেন না তো?]