Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
Love Jihad

‘হিন্দু মেয়েদের বোন ভাবুন’, মুসলিমদের পরামর্শ সমাজবাদী পার্টির সাংসদের

লাভ জেহাদ নিয়ে বিতর্কের আবহে তাঁর এই মন্তব্য।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৬, ২০২০, ১৯:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৬, ২০২০, ১৯:০৬

options
link
‘হিন্দু মেয়েদের বোন ভাবুন’, মুসলিমদের পরামর্শ সমাজবাদী পার্টির সাংসদের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লাভ জেহাদ নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে দেশজুড়ে প্রবল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। একদিকে উত্তরপ্রদেশ সরকার এর বিরুদ্ধে অর্ডিন্যান্স নিয়ে এসেছে, অন্যদিকে এলাহাবাদ ও দিল্লি হাই কোর্ট সাবালক-সাবালিকার ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ করা যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছে। বিজেপি বিরোধীরাও ইতিমধ্যে এর মাধ্যমে গেরুয়া শিবির হিন্দু ও মুসলিমের মাঝে ঘৃণার দেওয়ার তৈরি করতে চাইছে বলেও অভিযোগ করেছে। এই নিয়ে চলা টানাপোড়েনের মাঝেই মুসলিম যুবকদের হিন্দু মেয়েদের ‘বোন’  ভাবার পরামর্শ দিলেন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ এসটি হাসান (ST Hasan)। না হলে সরকার তাঁদের উপর অকথ্য অত্যাচার চালাবে বলেও অভিযোগ করলেন উত্তরপ্রদেশের মোরাদাবাদের সাংসদ।

বৃহস্পতিবার এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘লাভ জেহাদ (Love jihad) হল একটি রাজনৈতিক চাল। নির্বাচন এলেই বিজেপি হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে বিভাজন টানার চেষ্টা করে। আমাদের দেশে প্রত্যেকটি মানুষের নিজের সঙ্গীকে নির্বাচন করার অধিকার রয়েছে। হিন্দুরা মুসলিমকে বিয়ে করতে পারেন আবার মুসলিমরাও হিন্দুকে বিয়ে করতে পারেন। যদি আপনারা এই ধরনের ঘটনার গভীরে যান তাহলে দেখতে পাবেন তাঁরা খুব সুখেই আছেন। কিন্তু, যখনই কোনও সমস্যা দেখা দেয় তখনই অভিযোগ ওঠে ছেলেটা মুসলিম ছিল। তাই আমি মুসলিম ছেলেদের কাছে অনুরোধ করছি হিন্দু মেয়েদের নিজেদের বোনের চোখে দেখুন। না হলে সরকার আপনাদের উপর অত্যাচার করবে।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: জাতীয় পতাকায় অশোক চক্রের জায়গায় ইসলামিক হরফ, গুজরাটে গ্রেপ্তার ৪]

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবারই লাভ জেহাদ সংক্রান্ত অর্ডিন্যান্স পাশ হয়েছে উত্তরপ্রদেশের মন্ত্রিসভায়। ওই অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী, বিয়ের জন্য যদি কাউকে জোর করে ধর্মান্তরিত করা হয় তাহলে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। যার জেরে দোষী সাব্যস্তের ১ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত জেল ও সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।

[আরও পড়ুন: আগামী ছ’‌মাস ডাকা যাবে না ধর্মঘট, উত্তরপ্রদেশে বিতর্কিত ESMA জারি করল যোগী প্রশাসন]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.