Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
Supreme Court

‘আদালতের নির্দেশ অমান্য করলে…’, বুলডোজার নীতিতে যোগী সরকারকে সুপ্রিম হুঁশিয়ারি

আদালতের নির্দেশ অমান্য করলে ফল যে ভালো হবে না, বুঝিয়ে দিল আদালত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২২, ২০২৪, ১৫:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২২, ২০২৪, ১৫:৪৭

options
link
‘আদালতের নির্দেশ অমান্য করলে…’, বুলডোজার নীতিতে যোগী সরকারকে সুপ্রিম হুঁশিয়ারি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আদালতের নির্দেশ অমান্য করে বুলডোজার চালানোর ফল ভয়াবহ হবে। কার্যত এমনই ইঙ্গিত দিয়ে যোগী সরকারকে সতর্ক করল দেশের শীর্ষ আদালত। শীর্ষ আদালতের তরফে জানানো হল, ‘আমাদের নির্দেশ আপনারা জানেন। তার পরও যদি নির্দেশ অমান্য করার ঝুঁকি নিতে চান, তাহলে তা করতে পারেন।’

নিয়ম অনুযায়ী শুধুমাত্র বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধেই ব্যবহৃত হতে পারে বুলডোজার। তবে উত্তরপ্রদেশে এই নীতি কিছুটা আলাদা, রাষ্ট্রের কোপে পড়লেই এখানে সক্রিয় হয় এই ‘যন্ত্র দানব’। সম্প্রতি বাহরাইচে সাম্প্রদায়িক হিংসার পর বেছে বেছে নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের বাড়িতে বুলডোজার অভিযান চালানোর নির্দেশ দিয়েছিল যোগী সরকার। সেই নোটিস প্রকাশ্যে আসার পর যোগী সরকারের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে মামলা দায়ের করেন তিন মামলাকারী। যেখানে বলা হয়, বাড়ি ভাঙার জন্য মাত্র ৩ দিন সময় দিয়েছে সরকার। শুধু তাই নয়, বাহরাইচ হিংসায় যাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে শুধুমাত্র তাদেরই পাঠানো হয়েছে এই বাড়ি ভাঙার নোটিস।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, বেলাগাম বুলডোজার অভিযানের জেরে গত ১৭ সেপ্টেম্বর এই ডিভিশন বেঞ্চই জানিয়েছিল , সুপ্রিম কোর্টের অনুমোদন ছাড়া কোনও নির্মাণ যেন না ভাঙা হয়। ছাড় দেওয়া হয়েছিল কেবলমাত্র সরকারি জমি ও সার্বজনীন স্থানে জবরদখল নির্মাণের ক্ষেত্রে। তবে সেই নির্দেশ বেশ কিছু রাজ্য মানা হয়নি বলে অভিযোগ। এর পর এই মামলা আদালতে উঠলে শীর্ষ আদালতের অতীতের নির্দেশের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার উত্তরপ্রদেশ সরকার জানায়, আগামী বুধবার পর্যন্ত কোনও বাড়ি ভাঙা হবে না। পালটা যোগী সরকারকে সতর্ক করে বুলডোজার অভিযানের প্রেক্ষিতে আদালত জানায়, ‘সিদ্ধান্ত সরকারের হাতে। যদি তারা মনে করে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে বাহরাইচে তারা বুলডোজার চালাবে। তবে নিজ দায়িত্বে এটা তারা করতেই পারে।’ পাশাপাশি আদালতের নির্দেশ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, সার্বজনিক জায়গায় বেআইনিভাবে যদি কেউ দখল করে রাখে শুধুমাত্র সেক্ষেত্রেই চলতে পারে বুলডোজার।

যোগীরাজ্যে অপরাধীদের বিরুদ্ধে বুলডোজার দাওয়াই নতুন কিছু নয়। রাষ্ট্রের কোপে পড়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে লাগাতার বুলডোজার অভিযান চালিয়েছেন যোগী আদিত্যনাথ। তাঁর এহেন পদক্ষেপের জেরে ‘বুলডোজার বাবা’ নামেও পরিচিত উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। ধীরে ধীরে যোগী সরকারের নীতিকে আপন করে নেয় দেশের বাকি বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি। রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত যন্ত্রদানবের দাপট রুখতে এর পর পদক্ষেপ করে সুপ্রিম কোর্ট। জানানো হয়, বুলডোজার নীতি ভারতীয় সংবিধান মূল চেতনা বা ভাবনার পরিপন্থী। কেউ অভিযুক্ত বা দোষী হলেই তাঁর বাড়ি ভাঙা যায় না। এমন কোনও আইন নেই। বাড়ি ভাঙার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নিয়ম থাকা উচিত। ভাঙলে সেই পদ্ধতিতে ভাঙতে হবে। ‘বেআইনি নির্মাণ’ ভাঙার যুক্তি দিয়ে বুলডোজার চালানো যায় না।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.