Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
ম্যাঙ্গালুরু

‘চোখের সামনে বাবাকে মেরে ফেলল’, কান্নায় ভেঙে পড়ল ম্যাঙ্গালুরুতে নিহতের মেয়ে

পুলিশকেই কাঠগড়ায় তুলেছে নিহতের পরিবার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২২, ২০১৯, ১৬:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২২, ২০১৯, ১৬:৫৬

options
link
‘চোখের সামনে বাবাকে মেরে ফেলল’, কান্নায় ভেঙে পড়ল ম্যাঙ্গালুরুতে নিহতের মেয়ে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘আমার চোখের সামনে বাবাকে ওঁরা মেরে ফেলল!’ কথাটা বলতে বলতে চোখে জল চলে আসছিল শিফানির। চোদ্দ বছরের কিশোরীর বাবা গত ১৯ ডিসেম্বর ম্যাঙ্গালুরুতে পুলিশের গুলিতে মারা যান। ছাপোষা দিনমজুর ৪২ বছরের জলিল আহমেদের প্রাণ গিয়েছিল বিক্ষোভের মধ্যে পড়ে। দুই সন্তান শিফানি ও সাবিলকে (১০) স্কুল থেকে নিরাপদে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার পরেই ঘটে যা মর্মান্তিক ঘটনা। ছেলে-মেয়ের চোখের সামনেই পুলিশের গুলিতে লুটিয়ে পড়েন জলিল। বাঁ চোখে লাগে গুলি। হাসপাতালে নিয়ে যেতে যেতে সব শেষ। বিভীষিকাময় সেই দৃশ্য তাড়া করে বেড়াচ্ছে জলিলের পরিবারকে।

সেদিন আচমকা নাগরিকত্ব আইন বিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে ম্যাঙ্গালুরুতে। সেইসময় স্কুল থেকে ফিরছিল শিফানি ও সাবিল। রাস্তায় গন্ডগোলের মধ্যে আটকে পড়ে স্কুলের গাড়ি। গাড়ির চালক পড়ুয়াদের ফেলে পালিয়ে যায়। তখন খবর পেয়ে বাচ্চাদের নিরাপদে বাড়ি নিয়ে আসেন জলিল। কিন্তু ঠিক বাড়ির সামনেই পুলিশের গুলি লাগে তাঁর। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে সেদিনের দৃশ্য বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে নিহতের দুই সন্তান। বাবার মৃত্যুর জন্য পুলিশের দিকেই আঙুল তুলেছে ওরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: শান্তিপূর্ণ জমায়েতে পুলিশের লাঠিচার্জ, পালানোর সময়ে পদপিষ্ট হয়ে প্রাণ গেল বালকের]

সেদিনের অশান্তিতে পুলিশের দাবি ছিল, ৫ থেকে ৭ হাজার বিক্ষোভকারী গন্ডগোল পাকিয়েছিল। কিন্তু জলিলের পরিবারের দাবি, পুলিশের দাবি ভুল, সেদিন মাত্র ৫০ থেকে ১০০ জনের জমায়েত ছিল। অল্পসংখ্যক মানুষকে সামলাতে না পারার জন্য পুলিশকে কাঠগড়ায় তুলেছে নিহতের পরিবার। সেদিনের ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয় এবং ৫০ জনের মতো গুরুতর জখম হন। নিহতদের মধ্যে একজন জলিল। কিন্তু তাঁর পরিবার জানিয়েছে, বিক্ষোভের সঙ্গে সম্পর্কই ছিল না জলিলের। কিন্তু পুলিশ তাঁকেও ছাড়েনি। বিক্ষোভের আগুন যখন ছড়ায় তখন তাঁর আঁচ থেকে কেউই রক্ষা পায় না। এ ঘটনা তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.