স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ইশারায় তৃণমূলের গোপন নথি চুরি করতে আইপ্যাকের অফিসে হানা দিয়েছে আয়কর বিভাগ। বৃহস্পতিবার তল্লাশির দিনই বিস্ফোরক অভিযোগ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অভিযোগের স্বপক্ষে এবার ‘প্রমাণ’ দিলেন তৃণমূলের অন্যতম রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। দুই ব্যক্তির মধ্যে কথোপকথনের একটি স্ক্রিনশট শেয়ার করে তিনি প্রশ্ন তুললেন ইডির গতিবিধি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিস থেকে নিয়ন্ত্রিত? বিষয়টি খতিয়ে দেখা দরকার।
আরও পড়ুন:
রবিবার কুণালের পোস্ট করা স্ক্রিনশট অনুযায়ী, এক ব্যক্তি আর এক ব্যক্তিকে বলছেন, খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আপ্তসহায়ক সাকেত কুমারের থেকে তিনি জানতে পেরেছেন ইডির ১৩ আধিকারিক এবং একজন ডেপুটি ডিরেক্টর দিল্লি থেকে কলকাতায় আসছেন। একজন আসবেন মহারাষ্ট্র থেকে। গুলশান রাই নামের একজন সাইবার বিশেষজ্ঞও আসছেন। তাঁদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে সিজিও কমপ্লেক্সে জরুরি বৈঠকের জন্য ডাকা হয়েছে। কুণালের ইঙ্গিত, ইডির এই দলটিই পরে আইপ্যাকে হানা দেয়। আর সেটার নির্দেশ এসেছিল অমিত শাহর দপ্তর থেকেই।
- সাকেত কুমারের থেকে তিনি জানতে পেরেছেন ইডির ১৩ আধিকারিক এবং একজন ডেপুটি ডিরেক্টর দিল্লি থেকে কলকাতায় আসছেন
- সাকেত কুমারের থেকে তিনি জানতে পেরেছেন ইডির ১৩ আধিকারিক এবং একজন ডেপুটি ডিরেক্টর দিল্লি থেকে কলকাতায় আসছেন
- সাকেত কুমারের থেকে তিনি জানতে পেরেছেন ইডির ১৩ আধিকারিক এবং একজন ডেপুটি ডিরেক্টর দিল্লি থেকে কলকাতায় আসছেন
সোশাল মিডিয়ায় ওই চ্যাটের স্ক্রিনশট পোস্ট করে কুণাল লিখেছেন, “আইপ্যাক অফিসে তল্লাশির নামে বৃহত্তর চিত্রনাট্যের নেপথ্যকাহিনী? সূত্র মারফৎ পাওয়া দুই ব্যক্তির মধ্যে কথোপকথনের এই মেসেজ সত্যি হলে চক্রান্তের পুরোপুরি তদন্ত দরকার। আশা করি পুলিশের তদন্তকারীরা দেখবেন। ইডির গতিবিধি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিস থেকে নিয়ন্ত্রিত? প্রশ্নটা উঠছে। খতিয়ে দেখা দরকার। সত্যি হলে মারাত্মক।” বস্তুত আইপ্যাক দপ্তরে ইডি হানার পর থেকেই তৃণমূল অভিযোগ করে আসছে, পুরোটাই হয়েছে অমিত শাহর নেতৃত্বে। কুণাল যে স্ক্রিনশট শেয়ার করেছেন, সেটা সেই অভিযোগেই সিলমোহর দিচ্ছে।
সূত্র মারফৎ পাওয়া দুই ব্যক্তির মধ্যে কথোপকথনের এই মেসেজ সত্যি হলে চক্রান্তের পুরোপুরি তদন্ত দরকার।
আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং আইপ্যাকের অফিসে ইডির অভিযান নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। শুক্রবারই ইডির দ্রুত শুনানির আর্জি খারিজ করে দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। এরপরেই কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। রাজ্যও অবশ্য পালটা ক্যাভিয়েট দাখিল করেছে।