Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Droupadi Murmu

ধর্ষণ বিরোধী অপরাজিতা বিল নিয়ে ‘চাপ’, রাষ্ট্রপতির দরবারে মহিলা সাংসদ-সহ TMC প্রতিনিধিদল

১১ জনের প্রতিনিধিদল আজ মুর্মুর সঙ্গে দেখা করে অপরাজিতা বিলের খুঁটিনাটি তুলে ধরেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৫, ১৬:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৫, ১৬:৪১

options
link
ধর্ষণ বিরোধী অপরাজিতা বিল নিয়ে ‘চাপ’, রাষ্ট্রপতির দরবারে মহিলা সাংসদ-সহ TMC প্রতিনিধিদল zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আর জি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনার পরই রাজ্যে নারী নির্যাতন রুখতে বিধানসভায় ‘অপরাজিতা বিল’ পাশ করিয়েছে সরকারপক্ষ। রাজ্যপালের কাছে তা সইয়ের জন্য পাঠানো হলে তিনি রাষ্ট্রপতির দরবারে পাঠান। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু স্বাক্ষর না করলে বিল কার্যকর করা সম্ভব হচ্ছে না। বিলে সইয়ের জন্য এবার রাষ্ট্রপতির উপর ‘চাপ’ বাড়ানোর কৌশল নিল তৃণমূল কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার দুপুরে দলের ৯ মহিলা সাংসদ-সহ ১১ জনের প্রতিনিধি দল গেল রাইসিনা হিলসে। সেখানে রাষ্ট্রপতি মুর্মুর সঙ্গে দেখা করে তাঁকে বিলের গুরুত্ব বোঝালেন মহুয়া মৈত্র, দোলা সেন, প্রতিমা মণ্ডলরা। আবেদন জানালেন দ্রুত স্বাক্ষরের।

আগস্টে আর জি করের ঘটনার পর সেপ্টেম্বরেই বিধানসভায় ‘অপরাজিতা উইমেন অ্যান্ড চাইল্ড (ওয়েস্ট বেঙ্গল ক্রিমিনাল ল’ অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল ২০২৪’ পেশ করে শাসকপক্ষ। নারী নিরাপত্তার মতো গুরুতর বিষয় হওয়ায় বিজেপিও এই বিলের বিরোধিতা করেনি। সর্বসম্মতি বিলটি পাশ হয়ে যায়। বিলের প্রস্তাব অনুযায়ী, ধর্ষণ, শ্লীলতাহানির মতো নারীবিরোধী অপরাধের দ্রুত তদন্ত, দ্রুত ন্যায়বিচার এবং কঠোরতম শাস্তি — এই তিনটির পক্ষে দ্রুত সওয়াল করা হয়েছে। ২১ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করে ৩০ দিনের মধ্যে চার্জশিট জমা দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে প্রাণদণ্ড এবং ন্যূনতম সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে এই বিলে। এটি বিধানসভায় পাশ করা হলেও রাষ্ট্রপতি সই না করায় তা আইনে পরিণত করা যায়নি।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আর সেই দাবিতেই বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে গেলেন তৃণমূলের ১১ জন প্রতিনিধি। দলে ছিলেন সাংসদ মহুয়া মৈত্র, দোলা সেন, প্রতিমা মণ্ডল, সাগরিকা ঘোষ, জুন মালিয়া, সায়নী ঘোষ, সাজদা আহমেদ, মিতালি বাগ, সুস্মিতা দেব, ডেরেক ও ব্রায়েন, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। মহিলা প্রতিনিধি হিসেবে দোলা সেন, প্রতিমা মণ্ডলরা রাষ্ট্রপতি মুর্মুকে ‘অপরাজিতা বিল’ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য বোঝান। তিনি সই করে দিলে আইন কার্যকর হবে এবং তাতে রাজ্যে নারী নির্যাতনের ঘটনায় কঠোরতম শাস্তি নজির হয়ে থাকবে। তাই অপরাজিতা বিলে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের গুরুত্ব অপরিসীম, তা বোঝান তৃণমূল সাংসদরা। 

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পর বেরিয়ে লোকসভার দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ”রাজ্যে নারী নির্যাতন রুখতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে অপরাজিতা বিল এনেছেন, সে বিষয়ে আমরা রাষ্ট্রপতিকে বিস্তারিত জানিয়েছি। এই বিলের কী কী সংস্থান, প্রস্তাব আছে, সে বিষয়েও তাঁকে অবগত করা হয়েছে। আমাদের সাংসদ প্রতিমা মণ্ডল তাঁকে সব বুঝিয়েছেন। ধর্ষণের মতো অপরাধে দ্রুত বিচার শেষ করে কঠোরতম শাস্তি নিশ্চিত করবে এই বিল।” রাষ্ট্রপতি তাঁদের কথা শুনেছেন, বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাসও দিয়েছেন। ওয়াকিবহাল মহলের মত, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ‘অপরাজিতা বিল’ কার্যকর হলে ভোট ময়দানে তার সুফল লাভ করতে পারবে শাসকদল। আর তাই রাষ্ট্রপতির উপর ‘চাপ’ বাড়ানোর কাজ শুরু করল তৃণমূল।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.