সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একুশের মঞ্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন দেশে ‘হিন্দু তালিবানি’ শাসন চলছে। রাজস্থানের আলোয়ারে গণপিটুনির ঘটনা সামনে আসার পর গতকালও একই কথা বলেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। সেই সঙ্গে বলেছিলেন দেশজুড়ে ধর্মের নামে অধর্ম হচ্ছে৷ এভাবে ধর্মের নামে বদনাম করা হচ্ছে৷’’ তৃণমূল কংগ্রেস যে এর বিরুদ্ধে বড়সড় আন্দোলনের পথে যাবে তাঁর ইঙ্গিত মিলেছিল দলনেত্রীর কথাতেই। হলও তাই। মঙ্গলবার অধিবেশন শুরুর আগেই সংসদে গান্ধীমূর্তির পাদদেশে বিক্ষোভে শামিল হন তৃণমূল সাংসদরা। দাবি, যত দ্রুত সম্ভব গণপিটুনি রুখতে কড়া আইন আনতে হবে। তৃণমূলের তরফে মুলতুবী প্রস্তাবও আনা হয়। লোকসভায় তৃণমূলের দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘সংসদীয় গণতন্ত্রে এমন চলতে পারে না। প্রয়োজনে সব মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠক করুক প্রধানমন্ত্রী।’
Delhi: All India Trinamool Congress (TMC) MPs stage protest in front of Gandhi statue in Parliament over incidents of lynching pic.twitter.com/UVV3APaCN7
Advertisement— ANI (@ANI) July 24, 2018
[ধর্মের নামে অধর্ম চলছে, গণপিটুনির ঘটনায় নাম না করে বিজেপিকে তোপ মমতার]
এদিকে কেন্দ্রের তরফে আজও এ নিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। এদিন আরও একবার রাজনাথ বলেন, এই ইস্যুতে রীতিমতো উদ্বিগ্ন সরকার। তবে, এই ঘটনা যে বিজেপি সরকারের ‘হিংসা ছড়ানোর ফলশ্রুতি তা মানতে নারাজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।’ তিনি বলেন, গণপিটুনি কোনও নতুন ঘটনা নয়, অনেকদিন ধরে হয়ে আসছে। তবে, সরকার এ বিষয়ে পদক্ষেপ করছে বলেও দাবি করছেন রাজনাথ। ইতিমধ্যেই স্বরাষ্ট্র সচিব রাজীব গউবার নেতৃত্বে কমিটিও গঠন করা হয়েছে। পৃথকভাবে মন্ত্রীদের নিয়েও গঠিত হয়েছে একটি কমিটি। সচিব কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেবে মন্ত্রীদের কমিটি।
We are thoughtful about this. This didn’t start only recently, the incidents of lynching have been going on since years. I have said this earlier too, the biggest mob lynching is, what happened in 1984: Home Minister Rajnath Singh in Lok Sabha pic.twitter.com/shJ3mUdOus
— ANI (@ANI) July 24, 2018
[গণপিটুনির ভয়ে দেশে ফিরছেন না পিএনবি কাণ্ডে অভিযুক্ত মেহুল চোকসি]
এদিকে, তৃণমূল যখন বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়াচ্ছেন তখন এরাজ্যে গণতন্ত্র হত্যার অভিযোগ তুলে মমতাকে বিঁধছে বামেরা। এদিন সংসদের ভিতরে ত্রিপুরা ও বাংলায় গণতন্ত্র হত্যার অভিযোগ তুলে ধরনায় শামিল হন বাম সাংসদরাও। সংসদের বাইরেও এদিন বিক্ষোভ দেখান সিপিএম শীর্ষনেতারা।