সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মঙ্গলবার সংসদে সিঁদুর-আলোচনায় ভারতীয় সেনার সাফল্যের কথা জানানোর পাশাপাশি কংগ্রেসকে তীব্র কটাক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বুধবার কংগ্রেসের সর্বভারতীয় মুখপাত্র জয়রাম রমেশকে ‘চিনা-গুরু’ বলে কটাক্ষ করলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর।
গতকাল নিজের বক্তব্যে রাহুল গান্ধী বলেন, “পহেলগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর হাতে লেগেছিল নিরীহদের রক্ত। তাই তাঁর ভাবমূর্তি রক্ষায় অপারেশেন সিঁদুর। কিন্তু রাষ্ট্র ও সেনাবাহিনী প্রধানমন্ত্রীর ভাবমূর্তির প্রচারের ঊর্ধ্বে। রাজনৈতিক খেলার জন্য সামরিক বাহিনীকে বাজি ধরবেন না।” পাশাপাশি সাম্প্রতিক অতীতে ভারতের বিদেশনীতি ব্যর্থ হয়েছে বলেও দাবি করেন রাহুল গান্ধী-সহ অন্য কংগ্রেস নেতারা।
বুধবার পালটা আক্রমণ করেন কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ভারতের শত্রু চিন ইউপিএ সরকারের কৌশলগত বন্ধু ছিল।” নাম না করে জয়রাম রমেশের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন জয়শংকর। বলেন, “একজন চিনা-গুরুও আছেন। তিনি সংসদ সদস্য, আমার মুখোমুখি বসেন। ওঁর প্রচুর চিন প্রীতি। ‘চিন্ডিয়া’ বলে একটি শব্দজোটও আবিষ্কার করেছেন। আমার অবশ্য চিন সম্পর্কে জ্ঞান কম, যেহেতু অলিম্পিক থেকে চিনের বিষয়ে শিখিনি। কিছু লোক অলিম্পিক দেখতে গিয়ে চিন সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করেছেন। তারা কোন চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল তা এখন আলোচনা করব না।”
এখানেই না থেমে জয়শংকরের কটাক্ষ, “ওরা চিনা রাষ্ট্রদূতকে গৃহশিক্ষক রেখেছে… চিনা-গুরুর বক্তব্য, পাকিস্তান এবং চিন জোটবদ্ধ হয়েছে। আমরা এই বিষয়ে সচেতন এবং ব্যবস্থাও নিচ্ছি। যদিও রাতারাতি (পাকিস্তান-চিনের) জোট বাঁধার কথা বলা মানে ইতিহাসের ক্লাসের সময় ওরা ঘুমোচ্ছিল।”