Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
বিপ্লব দেব

ত্রিপুরার শিল্পকীর্তি ধ্বংস করতে ফন্দি করে মোঘলরা! আজব দাবি বিপ্লব দেবের

মুখ‌্যমন্ত্রীর এই মন্তব‌্য নিয়ে ইতিমধ্যেই চাঞ্চল‌্য দেখা দিয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২০, ২০১৯, ১৬:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২০, ২০১৯, ১৬:১৩

options
link
ত্রিপুরার শিল্পকীর্তি ধ্বংস করতে ফন্দি করে মোঘলরা! আজব দাবি বিপ্লব দেবের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘‘ত্রিপুরার শিল্পকীর্তি ধ্বংস করতে ফন্দি করেছিলেন মোঘল সম্রাটরা। বিস্ফোরকের মাধ‌্যমে যাতে এ রাজ্যের যাবতীয় শিল্পকলা একেবারে গুঁড়িয়ে দেওয়া যায়, তার পরিকল্পনা করেন,’’ মঙ্গলবার এমনই দাবি করলেন ত্রিপুরার মুখ‌্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব। মুখ‌্যমন্ত্রীর এই মন্তব‌্য নিয়ে ইতিমধ্যেই চাঞ্চল‌্য দেখা দিয়েছে।

এদিন আগরতলার ধলেশ্বরে শারদ সম্মান ২০১৯ পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে এসে তিনি বলেন, ‘‘ত্রিপুরায় বিস্ময়ের তো শেষ নেই, কারণ অনেকে এখনও সে সম্পর্কে কিছু জানেন না। এমন শিল্পকীর্তি রয়েছে, যা এখনও অনেকেরই অজানা। মোঘলরা পর্যন্ত ত্রিপুরার সংস্কৃতি নষ্ট করার জন্য রাজ্যের শিল্প ও স্থাপত্য বিস্ফোরণের সাহায্যে গুঁড়িয়ে দিতে চেয়েছিল।’’ সোশ্যাল মিডিয়ায় ত্রিপুরার সৌন্দর্য ও সাংস্কৃতিক পরম্পরা তুলে ধরার জন্য রাজ্যবাসীর কাছে তিনি আবেদন জানান।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রত্যেকদিন যদি মাথাপিছু ত্রিপুরার সাংস্কৃতিক সৌন্দর্য্যর অন্তত পাঁচটি করে ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা যায়, তাহলে বিশ্বজুড়ে প্রচার হবে।’’ এদিকে, ত্রিপুরার সুবিখ্যাত মাতাবাড়ি মন্দির সম্পর্কে বলতে গিয়ে মুখ‌্যমন্ত্রী বিপ্লবকুমার দেব বলেন, ‘‘মাতাবাড়ির দেবী এতই জাগ্রত যে, কচ্ছপরাও শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করার আগে মন্দির পর্যন্ত হেঁটে আসে। এই সমস্ত বিস্ময় সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা প্রয়োজন, কারণ অনেকেই ত্রিপুরার অসামান্য ও বিস্ময়কর সৌন্দর্য সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নন।’’

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.