সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মঙ্গলবার কংগ্রেস(Congress) থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর বুধবারই বিজেপি (BJP) যোগ দিয়েছেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। তারপর থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে তোপ দাগতে শুরু করেন কংগ্রেস নেতারা। নাম না করে তাঁকে মাফিয়া বলে তোপ দাগেন মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দিগ্বিজয় সিং। অন্যদিকে তিনি সম্ভবত রাজ্যসভা সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হওয়ার লোভে কংগ্রেস ছেড়েছেন বলে অভিযোগ করেন বহরমপুরের সাংসদ অধীর চৌধুরি। ছোটবেলার বন্ধু জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার দলত্যাগের ঘটনাকে রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য আদর্শকে জলাঞ্জলি দেওয়ার ঘটনা বলেও উল্লেখ করেন রাহুল গান্ধী। এবার তার থেকে একধাপ এগিয়ে জ্যোতিরাদিত্যের মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী না হওয়ার ঘটনাকে টেনে আনলেন ছত্তিশগড়ের বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা টিএস সিং দেও। এপ্রসঙ্গে বিরাট কোহলির কথাও উত্থাপন করেন তিনি।
ছত্তিশগড়ের ক্ষমতাসীন কংগ্রেস সরকারের ওই মন্ত্রী বলেন, ‘আদর্শের থেকে ক্ষমতায় থাকার বিষয়টিকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। ২০১৮ সালে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদের দৌড়ে থাকার পরেও তাঁকে সেই পদে বসানো হয়নি। এই কারণেই তিনি কংগ্রেস ত্যাগ করে চিরকালীন শত্রু হিসেবে পরিচিত বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। আমি জানতে চাই, বিরাট কোহলিকে যদি ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক না করা হয়। তাহলে তিনি কি আমাদের চির শত্রু হিসেবে পরিচিত পাকিস্তানের ক্রিকেট দলে যোগ দেবেন?’
[আরও পড়ুন:‘করোনাকে কুপোকাত করতে পরিকল্পনা বানান’, সার্ক নেতাদের কাছে আরজি মোদির]
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মঙ্গলবার হোলির দিন দলবদল করেছিলেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। কংগ্রেসের সঙ্গে থাকা ১৮ বছরের সম্পর্ক ত্যাগ করেছিলেন একনিমিষে। আর বুধবার দিল্লিতে সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। তবে নতুন দলে যোগ দেওয়ার বিষয়ে মন্তব্য করার থেকে কংগ্রেস নিয়ে আক্ষেপই করতে শোনা গিয়েছিল তাঁকে। এরপর রাহুল গান্ধী টুইট করেন, বিজেপিতে প্রাপ্য সম্মান কখনই পাবেন না জ্যোতিরাদিত্য।