সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এবার কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার ক্ষেত্রে রাজ্যগুলিকে চাপে ফেলার কৌশল কেন্দ্রের। করোনা আবহে সেপ্টেম্বরে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে স্নাতক স্তরের চূড়ান্ত পরীক্ষা নেওয়ার জন্য যে গাইডলাইন তৈরি করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (UGC), সেই গাইডলাইন মেনে চলতে রাজ্যগুলির উপর চাপ বাড়িয়ে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করলেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। তাঁর দাবি, পরীক্ষা নেওয়া ছাড়া কাউকে স্নাতকের সার্টিফিকেট দেওয়া যাবে না। তা ইউজিসি’র নিয়মবিরুদ্ধ। এই মামলায় সুপ্রিম কোর্টে শুনানি মুলতুবি ১৪ আগস্ট পর্যন্ত।
Supreme Court adjourns for August 14 the hearing of pleas challenging UGC’s July 6 circular and seeking cancellation of final term examination in view of COVID-19 situation. https://t.co/bRky1889LK
Advertisement— ANI (@ANI) August 10, 2020
ফের উচ্চশিক্ষায় পরীক্ষানীতি নিয়ে রাজ্যগুলির সঙ্গে সরাসরি সংঘাতের পথে হাঁটল কেন্দ্র। করোনা (Coronavirus) আবহে সেপ্টেম্বরে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ফাইনাল পরীক্ষা নেওয়ার কথা জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল ইউজিসি। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব নয় বলে জানানো হয়েছিম পশ্চিমবঙ্গ, মহারাষ্ট্র, দিল্লি প্রশাসন। এ রাজ্যের তরফে ইউজিসি’র ওই গাইডলাইন পরিবর্তনের জন্য দফায় দফায় চিঠি লিখে আবেদন করা হয়। এমনকী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও চিঠি লেখেন প্রধানমন্ত্রীকে। সেই চিঠির জবাব না পেয়ে ভিডিও কনফারেন্সের বৈঠক চলাকালীন মোদির কাছে সেই প্রসঙ্গ ফের উত্থাপন করেছিলেন মমতা। তাতে যে বিন্দুমাত্র কাজ হয়নি, আজ সুপ্রিম কোর্টে সলিসিটর জেনারেলের বক্তব্যই তার প্রমাণ।
[আরও পড়ুন: করোনা আক্রান্ত প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়, টুইট করে নিজেই দিলেন দুঃসংবাদ]
সেপ্টেম্বরে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ে ইউজিসি’র গাইডলাইনের বিরোধিতা করে রাজ্যের তৃণমূল পরিচালিত অধ্যাপক সংগঠন ওয়েবকুপা-সহ দেশের একাধিক সংস্থা এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। আজ তার শুনানি ছিল। ইউজিসিকে সমর্থন করতে গিয়ে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন, ”ইউজিসি-ই ডিগ্রি দেওয়ার নিয়মকানুন বেঁধে দিতে পারে। রাজ্যের তা পরিবর্তন করার এক্তিয়ার নেই। পড়ুয়াদের স্বার্থের কথা মাথায় রেখে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে না, তা ঠিক নয়।” এ বিষয়ে ইউজিসি’র কাছে হলফনামা চেয়েছে শীর্ষ আদালত। ১৪ আগস্ট পর্যন্ত সময়সীমা। ততদিন পর্যন্ত এই সংক্রান্ত শুনানি মুলতুবি থাকবে।