Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Telangana

টাকার অভাবে হয়নি সৎকার, সাতদিন মায়ের দেহ আগলে বসে দুই বোন!

আত্মীয়দের থেকে সাহায্য চাইলেও মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল তাঁরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৫, ১৩:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৫, ১৩:৪০

options
link
টাকার অভাবে হয়নি সৎকার, সাতদিন মায়ের দেহ আগলে বসে দুই বোন! zoom
প্রতীকী ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মায়ের মৃতদেহ আগলে সাতদিন বসে থাকলেন মেয়েরা। টাকা না থাকায় দেহ সৎকার করতে পারেননি তাঁরা। আত্মীয়দের থেকে সাহায্য চাইলেও মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল তারা। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে তেলঙ্গানায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দিন সাতেক আগে শারীরিক অসুস্থতার কারণে মৃত্যু হয় সি ললিতা নামের এক মহিলার। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। শ্মশানে নিয়ে যাওয়ার টাকা না থাকায় বাধ্য হয়ে সাতদিন পাশের ঘরে দেহ রেখে অন্য ঘরে থাকলেন মেয়েরা। বছর চারেক আগে পারিবারিক অশান্তির কারণে মৃতার স্বামী তাঁদের ছেড়ে চলে যান। তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কয়েকদিন আগে ললিতা অশান্তির কারণেই পুরনো বাড়ি থেকে নতুন জায়গায় চলে আসেন। সেখানেই দুই মেয়ের সঙ্গে থাকছিলেন তিনি। মৃতার ২৫ বছরের বড় মেয়ে রভলিকা একটি শাড়ির দোকানে কাজ করেন। ছোট মেয়ে অশ্বিতা ওই রকমই ছোট খাটো কাজ করতেন। সেই দিয়েই কোনওরকমে সংসার চলত তাঁদের। মেয়েদের টাকা চিকিৎসা হত ললিতার। তিনি হঠাৎ মারা যাওয়ায় মেয়েদের হাতে টাকা না থাকায় দেহ সৎকার করতে পারেনি বলে জানা গিয়েছে।

দেহ সৎকারের জন্য একাধিক জায়গায় সাহায্য চাইলেও খালি হাতে ফিরতে হয়েছে তাঁদের। এদিকে ঘর থেকে পচাগন্ধ বেরতে থাকে। বাধ্য হয়ে স্থানীয় ক্লাবের কাছে সাহায্য চায়। তাঁরাই পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পচাগলা দেহ উদ্ধার করে দেহ ময়নাতদন্তে পাঠায়। তারপর শ্মশানে নিয়ে যায়। ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.