Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
গরুর মাংস

‘সংস্কারের অভাবে বিদেশে গিয়ে গরুর মাংস খাচ্ছে ভারতীয়রা’, বিস্ফোরক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

সংস্কৃতিকে রক্ষা না করলে দেশ বাঁচবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০২০, ১৭:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০২০, ১৭:১৭

options
link
‘সংস্কারের অভাবে বিদেশে গিয়ে গরুর মাংস খাচ্ছে ভারতীয়রা’, বিস্ফোরক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:ভারতীয় সংস্কৃতি সম্পর্কে কোনও ধারণা না থাকায় বিদেশে গিয়ে গরুর মাংস খাচ্ছেন পড়ুয়ারা।’ বর্ষবরণের দিন এই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং। তাঁর এই বক্তব্যের কথা প্রকাশ্যে আসতেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ফের বিজেপি ও RSS-এর দিকে আঙুল তুলছে বিরোধীরা।

বুধবার বিহারে ‘শ্রীমদ ভাগবত কথা জ্ঞাপন’ শীর্ষক একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়েছিলেন বেগুসরাইয়ের বিজেপি সাংসদ গিরিরাজ সিং। সেখান বক্তব্য রাখতে গিয়ে গীতা পাঠের মাহাত্ম্য বোঝানোর চেষ্টা করেন তিনি। স্কুল থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের গীতা পড়ালে দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সম্পর্কে তারা ওয়াকিবহাল হবে বলেও দাবি করেন। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, আজকের দিনে ভারতীয় অভিভাবকরা নিজেদের সন্তানকে ছোটবেলাতেই মিশনারি স্কুলে পড়তে পাঠান। এদের মধ্যে অনেকেই পরবর্তীকালে কলেজ পাশ করে উচ্চশিক্ষা বা কাজের জন্য বিদেশে যায়। আর সেখানে গিয়ে গরুর মাংস খায়। ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সম্পর্কে না জেনেই এই কাজ করে তারা। ছোটবেলা থেকে অভিভাবকরা তাদের যদি গীতা পাঠ করাতেন তাহলে এই অবস্থা হত না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: সাইরাস মিস্ত্রিকে শীর্ষপদে মানতে নারাজ, সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ টাটা সন্স]

 

এরপরই গোটা দেশে স্কুলস্তর থেকে গীতা পড়ানোর পক্ষে সওয়াল করেন তিনি। বলেন, ‘কোনও এলাকার ১৫টি বাড়িতে হনুমান চালিশা পাওয়া গেলে মহাভারত বা রামায়ণ মিলবে দুটো-তিনটে বাড়িতে। আর গীতা রাখলেও বাড়ির বাচ্চাদের কেউই তা পড়ান না। ফলে ভারতীয় সংস্কৃতি সম্পর্কে কোনও জ্ঞানই জন্মে নেয় না তাদের মনে। এই ফলশ্রুতি আজ সমাজের সর্বক্ষেত্রে চোখে পড়েছে। বিদেশ গিয়ে অনাচার করছে আমাদের সন্তানরা। কিন্তু, একথা তাদের মনে রাখতে হবে যে ভারত তখনই রক্ষা পাবে যখন এর সংস্কৃতি বেঁচে থাকবে।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.