Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Uttar Pradesh

জাতীয় সড়কে গাড়ি থেকে নামিয়ে মা-মেয়েকে গণধর্ষণ! ৯ বছর পর পাঁচ দোষীর যাবজ্জীবন উত্তরপ্রদেশে

২০১৬ সালের ২৯ জুলাই ঘটনাটি ঘটে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২২, ২০২৫, ১৯:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২২, ২০২৫, ১৯:৩৯

options
link
জাতীয় সড়কে গাড়ি থেকে নামিয়ে মা-মেয়েকে গণধর্ষণ! ৯ বছর পর পাঁচ দোষীর যাবজ্জীবন উত্তরপ্রদেশে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জাতীয় সড়কে টেনেহিঁচড়ে গাড়ি থেকে নামিয়ে মা-মেয়েকে ধর্ষণ করেছিল দুষ্কৃতীরা! ৯ বছর আগে উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহরে ঘটে যাওয়া সেই ঘটনায় রায় দিল নিম্ন আদালত। পাঁচ অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিলেন বিচারক।

২০১৬ সালের ২৯ জুলাই ঘটনাটি ঘটে। গাড়ি করে নয়ডা থেকে শাহজাহানপুর যাচ্ছিল একটি পরিবার। সেই সময় ৯১ নম্বর জাতীয় সড়কে তাদের গাড়ি আটকায় দুষ্কৃতীরা। প্রাথমিক ভাবে টাকাপয়সা লুট করার উদ্দেশ্য নিয়ে গাড়ি থামানো হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত টাকাপয়সা করেই থেমে থাকেনি দুষ্কৃতীরা। তারা গাড়ি থেকে মা এবং মেয়েকে টেনেহিঁচড়ে নামিয়ে জাতীয় সড়কের পাশে একটি মাঠে নিয়ে যায় প্রথমে। তার পর সেখানে পরিবারের বাকি সদস্যদের সামনে তাঁদের ধর্ষণ করা হয়। ওই ঘটনার তদন্তে নেমে মোট ছ’জনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। মামলা চলাকালীন তাদের একজনের মৃত্যু হয়। বাকি পাঁচ অভিযুক্তকে এ বার দোষী সাব্যস্ত করে সাজা ঘোষণা করল আদালত।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আদালত রায়দানের পর সরকারি আইনজীবী বরুণ কৌশিক বলেন, “পাঁচ জনকেই যাবজ্জীবন কারাবাসের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এই ধরনের অপরাধীদের সমাজ থেকে দূরে রাখা উচিত। আজকের রায়ে আদালত তা-ই বুঝিয়ে দিল।” সরকারি আইনজীবী আরও জানান, এই মামলায় ফরেনসিক তথ্যপ্রমাণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। গণধর্ষিতা মায়ের কাপড়ে অভিযুক্তদের একজনের ডিএনএন পাওয়া গিয়েছিল।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.