Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

‘বাবার হত্যাকারীদের আমরা পুরোপুরি ক্ষমা করে দিয়েছি’

ঠাকুমা ও বাবার হত্যা নিয়ে মুখ খুললেন রাহুল গান্ধী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯, ১২:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯, ১২:৩৩

options
link
‘বাবার হত্যাকারীদের আমরা পুরোপুরি ক্ষমা করে দিয়েছি’ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যাদের সঙ্গে ব্যাডমিন্টন খেলতেন, তাঁরাই হত্যা করেছে ঠাকুমাকে। বাবার হত্যাও যেন স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। হলও তাই। তবে এতদিন পর আর সেসব নিয়ে মনে কোনও গ্লানি নেই রাহুল গান্ধীর। জানালেন, তিনি ও তাঁর দিদি প্রিয়াঙ্কা, দু’জনেই তাঁদের বাবার হত্যাকারীদের পুরোপুরি ক্ষমা করে দিয়েছেন।

 প্রধানমন্ত্রী হলে নোট বাতিলের ফাইল ফেলে দিতাম, রাহুলের মন্তব্যে ঝড় ]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মালয়েশিয়ায় আইআইএম প্রাক্তনীদের মুখোমুখি হয়েছিলেন কংগ্রেস সভাপতি। সেখানেই এই প্রশ্নের মুখে পড়েন তিনি। এলটিটিই-র চক্রান্তে খুন হন দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। যার নেতৃত্বে ছিল প্রভাকরণ। এখনও কি বাবার হ্ত্যাকারীদের ক্ষমা করতে পেরেছেন? রাহুল জানান, বহুদিন পর্যন্ত এ নিয়ে তাঁদের মনে ক্ষোভ ছিল। রাগ ছিল। কিন্তু যত সময় গড়িয়েছে, তত সেই ক্রোধ-হতাশা ফিকে হয়েছে। একটা সময় দু’জনেই হত্যাকারীদের পুরোপুরি ক্ষমা করে দিতে পেরেছেন। এই ইতিহাস তাঁর জীবনের সঙ্গে জড়িত বলেই আজও কোনওরকম হিংসা বরদাস্ত করেন পারেন না রাহুল। জানিয়েছেন, “যেখানেই কোনও হিংসার ঘটনা ঘটে, আমি বুঝতে পারি, তার পিছনে কারও না কারও পরিবার জড়িত আছে। কোনও শিশুর কান্না লুকিয়ে আছে। তাই কোনওরকম হিংসাকেই আমি বরদাস্ত করতে পারি না।” রাহুল জানান, এমনকী প্রভাকরণকে যখন মৃত অবস্থায় টেলিভিশনের পর্দায় দেখেছিলেন, তখন দ্বৈত অনুভূতি তাঁর মনে জায়গা করে নিয়েছিল। প্রথমে প্রভাকরণকে যেভাবে মারা হয়েছিল তা যেন কিছুতেই মেনে নিতে পারেননি তিনি। পরক্ষণেই তাঁর মনে হয়েছিল প্রভাকরণের পরিবার, সন্তানের কথাও।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

রাহুল জানান, তাঁর পিতাকে যে হত্যা করা হবে তা তাঁরা বুঝতেই পেরেছিলেন। জটিল রাজনীতির আবর্তে যখন সংঘাত বাধে, আর কেউ একদিকে অনড় থাকে, তখন এই পরিণতি খুবই সম্ভব, জানান রাহুল। যখন ইন্দিরা গান্ধীকে হত্যা করা হয়, তখন রাহুলের বয়স চোদ্দ। যাদের সঙ্গে কিশোর রাহুল ব্যাডমিন্টন খেলত তারাই হত্যা করেছিল ইন্দিরাকে। তারপরই বাবাকে হারান। ফলে এমন একটা পরিবেশ, প্রহরার মধ্যে থাকতে হত তাঁকে, যা কখনওই বাঞ্ছনীয় নয়। আজ এতদিন পর সে কথা স্বীকার করতে দ্বিধা নেই রাহুলের।

রাহুল জানান, হিংসার যে কী মূ্ল্য দিতে হয় তা তিনি খুব ভালই জানেন। জীবনে যন্ত্রণা পেয়ে তা বুঝেছেন। তাই কোনওভাবেই কোনও মানুষকে ঘৃণা করতে পারেন না তিনি। এমনকী তাঁর দিদি প্রিয়াঙ্কাও নয়। কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে রাজনৈতিক বিরোধিতায় অবতীর্ণ হতে দেখা যায় তাঁকে। অনেক সময়ই অভিযোগ ওঠে রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি তেমন ঝাঁজালো নন। কুশলী নন। কিন্তু কোন প্রেক্ষিত যে এই রাহুলকে তৈরি করেছে, এদিন তাঁর কথায় যেন তা অনেকখানিই স্পষ্ট হল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.