Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

যোগীর রাজ্যে মহিলা পুলিশ আধিকারিককে হেনস্তা বিজেপি নেতা-কর্মীর

তোলা হয় ঘুষ নেওয়ার অভিযোগও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২, ২০১৭, ০৮:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২, ২০১৭, ০৮:৪৪

options
link
যোগীর রাজ্যে মহিলা পুলিশ আধিকারিককে হেনস্তা বিজেপি নেতা-কর্মীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যে সরকারি কর্মচারীদের ঠিকমতো কর্তব্য পালন করতে হবে। আইন ভাঙলে রেয়াত করা হবে না কাউকে। এমনকী গোটা রাজ্য থেকে অপরাধ মুছে দেবেন। ক্ষমতায় আসার পরেই একথা স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। কিন্তু বিভিন্ন সময় তাঁর দলের লোকেদের কর্মকাণ্ডই বিড়ম্বনায় ফেলেছে মুখ্যমন্ত্রীকে। ফের একবার সামনে এসেছে সেরকমই একটি ঘটনা। যেখানে প্রমোদ লোধি নামে এক বিজেপি কর্মীর নেতৃত্বে হেনস্তার শিকার এম এস ঠাকুর নামে এক উচ্চপদস্থ মহিলা পুলিশ আধিকারিক। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহরে। পুলিশের সঙ্গে অভব্যতা করার জন্য আটক বিজেপি কর্মী প্রমোদকে আদালতে হাজিরা দিতে নিয়ে যাওয়ার সময় ওই পুলিশ আধিকারিককে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি সমর্থকরা। প্রকাশ্যে এসেছে সেই ঘটনাটির ভিডিও। নেট দুনিয়ায় ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সেটি।

[চাপের মুখে অবশেষে ইদে বনধ শিথিলের সিদ্ধান্ত মোর্চার]

জানা গিয়েছে, গত শুক্রবার বিকেলে মোটরবাইকের সঠিক কাগজপত্র না থাকায় জরিমানা করা হয় প্রমোদ লোধিকে। এরপরেই সে ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা এম এস ঠাকুরকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। ওই মহিলা পুলিশ আধিকারিক তাদের সাবধান করে বলেন, ‘আপনারা এখান থেকে চলে যান, না হলে ঝামেলা পাকানোর দায়ে গ্রেপ্তার করা হবে। এরপরই ওই ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[লকার থেকে মূল্যবান সামগ্রী হারানোর দায় নেবে না ব্যাঙ্ক]

কিন্তু আদালতে হাজির করার সময় ফের বিক্ষোভ দেখাতে থাকে বিজেপি সমর্থকরা। শুধু তাই নয়, তার আগে এম এস ঠাকুরের দপ্তরের সামনেও তারা বিক্ষোভ দেখিয়েছে বলে খবর। বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের অবশ্য অভিযোগ, ২০০ টাকা ঘুষ দিতে না চাওয়ার জন্যই মিথ্যে মামলায় আটক করা হয়েছে প্রমোদকে। যদিও একথা অস্বীকার করেছেন এম এস ঠাকুর। তিনি বলেন, “যারা নিয়ম ভেঙেছিল আমরা তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই জরিমানা ধার্য করছিলাম। কিন্তু একমাত্র প্রমোদ লোধিই আপত্তি করেন। বাকিদের কোনও সমস্যা হয়নি।” এর সঙ্গেই তিনি যোগ করেন, “ওই ব্যক্তি শুধু আমার সঙ্গেই নয়, এক কনস্টেবলের সঙ্গেও দুর্ব্যবহার করে। এমনকী আদালতে চত্বরেও ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে। আমরা ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আরও একটি অভিযোগ দায়ের করব।” এর আগেও এরকম ঘটনা ঘটেছে। কয়েক সপ্তাহ আগে বিজেপি নেতা এবং গোরখপুরের বিধায়ক রাধা মোহন আগরওয়ালের হুমকির কারণে সর্বসম্মখেই কেঁদে ফেলেছিলেন চারু নিগম নামে এক মহিলা পুলিশ আধিকারিক।

[‘জরুরি অবস্থা দেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে অন্ধকারতম অধ্যায়’]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.