Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
ভারতীয় অর্থনীতি

আরও খারাপ হবে ভারতীয় অর্থনীতির হাল, আশঙ্কা বিশ্ব ব্যাংকের

নোটবন্দি আর জিএসটির ফলে এই অবস্থা হয়েছে বলেও দাবি তাদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৩, ২০১৯, ১৫:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৩, ২০১৯, ১৫:৪৪

options
link
আরও খারাপ হবে ভারতীয় অর্থনীতির হাল, আশঙ্কা বিশ্ব ব্যাংকের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আরও খারাপ হবে ভারতীয় অর্থনীতির হাল। রবিবার আশঙ্কা প্রকাশ করে এই পূর্বাভাসই দেওয়া হল বিশ্ব ব্যাংকের তরফে। আগামী তিনমাস অর্থনীতির হাল যা থাকবে তাতে এই বছরে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির হার দাঁড়াবে ৬ শতাংশে। এর ফলে গত বছরের থেকে ০.৯ শতাংশ কম হবে দেশের আর্থিক বৃদ্ধি। 

[আরও পড়ুন: ‘ভারতীয় মুসলিমরাই সবচেয়ে সুখী’, বলছেন মোহন ভাগবত]

সম্প্রতি আন্তর্জান্তিক অর্থ ভাণ্ডারের নতুন প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিনা জর্জিয়েভা বলেছিলেন, বিশ্বজুড়ে আর্থিক মন্দা দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব ভারতের মতো দেশে আরও বেশি করে দেখা যেতে পারে। রবিবার সেই কথারই যেন পুনরাবৃত্তি দেখা গেল সাউথ এশিয়া ইকনমিক ফোকাসের রিপোর্টে। বিশ্বব্যাঙ্ক জানিয়েছে, ক্রমশ কমছে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির হার। ২০১৮-১৯ আর্থিক বর্ষে যে বৃদ্ধির হার ৬.৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছিল, তা এক ঝটকায় ৬ শতাংশে নেমে আসতে পারে। তবে এতে হতাশ হওয়ার কিছু নেই বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। কারণ তাদের মতে, ফের ২০২১ সালের মধ্যে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির হার ৬.৯ শতাংশ হতে পারে। আর ২০২২ সালে তা ৭.২ শতাংশে তা পৌঁছতে পারে। যদি প্রথমেও মনে করা হয়েছিল, নোটবন্দি ও জিএসটির জন্য ভারতের ব্যাংকিং ব্যবস্থা বাজারে যথেষ্ট গতি আনবে। তার ফলে বাজারও বেশ খানিকটা নমনীয় হয়ে উঠবে। কিন্তু, তা হচ্ছে না বলেই মনে করছে বিশ্ব ব্যাংক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তবে শুধু তারাই নয়, কিছুদিন আগে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্কও। তাদের মতে, এ বছর আর্থিক বৃদ্ধির হার ৬ শতাংশের আশপাশেই থাকবে। আবার আন্তর্জাতিক রেটিং সংস্থা মুডিজের হিসাব অনুযায়ী,  এই বছর ৫.৯ শতাংশের বেশি আর্থিক বৃদ্ধি হবে না ভারতে।

[আরও পড়ুন:প্রচুর টাকা নিয়ে সাক্ষাৎকার দিতেন ‘নির্ভয়া’র বন্ধু! প্রমাণিত স্টিং অপারেশনে]

রবিবার প্রকাশিত ওই রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, নোটবন্দি ও জিএসটির ফলে ভারতীয় অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা লেগেছে। গ্রাম এবং শহর দুটি জায়গার অর্থনীতিই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে বেকারত্বও।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.