সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্কুলে যোগাভ্যাস বাধ্যতামূলক নয়। মঙ্গলবার একথা জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি এম বি লোকুরের ডিভিশন বেঞ্চ এদিন জানায় সরকার এবিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। আদালত এই ইস্যুতে সরকারকে নির্দেশ দিতে পারে না। প্রসঙ্গত, জাতীয় যোগ নীতি প্রণয়ন এবং স্কুলে প্রথম শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত যোগচর্চা বাধ্যতামূলক করার আরজি জানিয়ে একটি পিটিশন দাখিল হয়েছিল। আইনজীবী অশ্বিনী কুমার ও দিল্লি বিজেপির মুখপাত্র জে সি শেঠ এই মর্মে পিটিশন দাখিল করেন সুপ্রিম কোর্টে।
[এভারেস্ট জয়ের ভুয়ো দাবি, চাকরি গেল মহারাষ্ট্রের পুলিশ দম্পতির]
সেই পিটিশনের জবাবেই এদিন দেশের শীর্ষ আদালত জানায়, স্কুলে কী শিক্ষা দেওয়া হবে, তা মৌলিক অধিকার নয়। জীবন, শিক্ষা ও সমানাধিকারের মতো মৌলিক অধিকারগুলির কথা মাথায় রেখে এই পদক্ষেপ ছিল বলে পিটিশনকারীরা জানান। তাদের বক্তব্য ছিল প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়াদের যোগ ও স্বাস্থ্যশিক্ষা সংক্রান্ত বই সরবরাহ করুক কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক। এই মর্মে এনসিইআরটি, এনসিটিই এবং সিবিএসইর মতো সংস্থাকে নির্দেশ দিক মন্ত্রক। পিটিশনকারীদের এই আরজি খারিজ করেছে সুপ্রিম কোর্ট।
[পিছু ধাওয়া করে ‘মগনলাল’কে জালে তুললেন জওয়ানরা]
২০১৬ সালের ২৯ নভেম্বর আদালত কেন্দ্রকে পিটিশনটি সামনে রেখে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে বলেছিল। তবে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি কেন্দ্রের তরফে। ফলে জটিলতা বাড়ে। আবেদনে এও বলা হয় রাজ্য সরকারগুলির পক্ষ থেকে সর্বজনীন পরিসরে শিশু ও কিশোরদের জন্য স্বাস্থ্য বিকাশের সুবিধা করে দেওয়া সম্ভব নয়। ফলে স্কুলগুলিকেই সেই উদ্যোগ নিতে হবে। একমাত্র স্কুলের মাধ্যমেই কোনও শিশুর সর্বাঙ্গীন বিকাশের কথা মাথায় রেখে এই পরিষেবা শিক্ষার আকারে ছড়িয়ে দেওয়া যায়।
[‘বিচার চাই’ বলে এজলাসে আত্মহত্যার চেষ্টা বৃদ্ধের]
তবে এদিন সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে কোনও ব্যক্তি যদি যোগাভ্যাস করতে চান, তবে নিজেরাই সেই পথ বেছে নেবেন। তার জন্য যোগ বাধ্যতামূলক করার দরকার নেই। তবে তামিলনাড়ু,উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যগুলি সরকারি স্কুলে যোগাভ্যাসকে বাধ্যতামূলক করার ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে।